দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: “চালাকির দ্বারা উপস্থাপিত” রাজ্য বাজেট নিয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। কী বললেন তিনি? তাঁর বক্তব্য, আর্থিক ঘাটতির সম্ভাবনা রয়েছে যদি প্রত্যাশিত রাজস্ব আদায় না হয়। এছাড়া যেই যেই ক্ষেত্রে খামতি রয়েছে, তাও তিনি তুলে ধরেন। পাশাপাশি, মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধি ঘিরে ঘোষণাকে স্বাগত জানালেও প্রশ্ন তোলেন যে বকেয়া ডিএর কী অবস্থা, তা জানা দরকার।
সোমবার, ২২ জুন, বিজেপি সরকার পেশ করেছে তাদের প্রথম বাজেট। রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত একাধিক বড় ঘোষণা করেছেন। রাজ্য সরকার কোন ক্ষেত্রে কত টাকা বরাদ্দ করেছে, সেই সবটা তিনি তুলে ধরেছেন। গেরুয়া শিবিরের তরফ থেকে এই বাজেটকে সর্বব্যাপী বাজেটের তকমা দেওয়া হলেও তা মনে করছে না বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। তাদের মতে, এই বাজেট জনস্বার্থ বিরোধী।
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেন, “জনহিতকর বাজেট নয়। এই বাজেট চালাকির দ্বারা উপস্থাপিত। গুরুতর প্রশ্ন আছে আর্থিক কৌশল নিয়ে। দিশা নেই আয় বাড়া, মজবুত কর্মসংস্থান, পরিকাঠামো খাতে বিনিয়োগ নিয়ে বিষয়ে। আর্থিক ঘাটতির সম্ভাবনা আছে যদি প্রত্যাশা মতো রাজস্ব আদায় না হয়।” তাঁর সংযোজন, “শিল্পোন্নয়নের কথা বলা হলেও দিশা নেই জমি অধিগ্রহণ, কৃষকদের ক্ষতিপূরণ ঘিরে বিষয়ে। পাশাপাশি, সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষায় যে ব্যাপক কাটছাঁট, যা সামাজিক ন্যায় ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বিরোধী।” মহার্ঘ ভাতা বাড়ানো নিয়ে ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েও তাঁর প্রশ্ন, “জানা দরকার বকেয়া ডিএর অবস্থা কী।” এবার দেখার বিষয় যে বাজেটে যা ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার, তা পূরণ করার লক্ষ্যে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয় তাদের তরফ থেকে।



By










