• Home
  • জেলার খবর
  • আফরোজের সঙ্গে ছবি ঘিরে বিদ্রোহী তৃণমূলকে খোঁচা কুণালের, পাল্টা ঋতব্রতর

আফরোজের সঙ্গে ছবি ঘিরে বিদ্রোহী তৃণমূলকে খোঁচা কুণালের, পাল্টা ঋতব্রতর

Image

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে গত শুক্রবার ককরোচ জনতা পার্টি ও বামেদের বিক্ষোভে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল ধর্মতলা চত্বর। ঘটনায় একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যাঁর মধ্যে অন্যতম আফরোজ। একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ার ভাইরাল হয়েছে যেখানে তাঁকে দেখা গিয়েছে বিদ্রোহী তৃণমূলের নেতা ফিরহাদ হাকিম ও আব্দুল খালেক মোল্লার সঙ্গে। ছবি ছড়িয়ে পড়তেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। 

এই প্রসঙ্গে বিদ্রোহী তৃণমূলকে কটাক্ষ করেন কালীঘাট তৃণমূলের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা কুণাল ঘোষ। বেলেঘাটা বিধায়কের বক্তব্য, “ওরা ভালো তৃণমূলের ভালো ছেলেরা। তাদের দেখা যাচ্ছে ভালো নেতার সঙ্গে। এদের দায় চাপাচ্ছেন কেন আমাদের উপরে? এরা বালিশের লোকজন। ভালো তৃণমূলে যাঁরা গিয়েছেন, তাঁরা হয়তো ভাবছেন, এদের নিয়ে ঘুরলে আরও ভালো হবে।… এই কারণে শুক্রবারের কর্মসূচিতে আমাদের নেত্রী যোগদান না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।” এই প্রসঙ্গে ববির কোনও প্রতিক্রিয়া না মিললেও মেটিয়াবুরুজের বিধায়ক আব্দুল খালেক মোল্লা বলেছেন, ‘ওকে আমি চিনি না। তৃণমূলের কোনও সক্রিয় কর্মী নয়, সমর্থক হতে পারে। ভোটের সময়ে অনেকে দাঁড়িয়ে থাকে পাশে, আমি তো পারি না সবাইকে সরিয়ে দিতে। কেউ অন্যায় করলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োগ হবে গুণ্ডা দমন আইন। আইন আইনের পথে চলবে।”

অন্যদিকে বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, “বহু মানুষ এসে জনপ্রতিনিধিদের পাশে দাঁড়ান। অনেকে ছবি তোলেন মোবাইলে। তখনই সবার পূর্ব ইতিহাস চেক করা সম্ভব নয়। বেলেঘাটার বিধায়কের ছায়াসঙ্গী জনৈক শক্তি তো সদ্য জেলের ভাত খেয়ে বেরিয়েছেন। কেউ অপরাধ করলে তার কঠোর সাজা হওয়া উচিত।” রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত বলেছেন, “তৃণমূলের সঙ্গে ধৃতদের সম্পর্ক রয়েছে কি নেই, সেটা বড় বিষয় নয়। আসল কথা হলো, কড়া পদক্ষেপ করা হবে গুণ্ডা দমন আইন লঙ্ঘন করা হলে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top