দেবজিৎ মুখার্জি: নিজেদের লক্ষ্যে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) সফল হওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে উঠে আসছে একের পর এক সংগঠন, যার মধ্যে অন্যতম আরএইচএ, ওরফে ‘রিজার্ভেশন হটাও আন্দোলন’। কম সময়েই ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে সংগঠনটি। সমাজমাধ্যমেও বাড়ছে তাদের ফলোয়ার্স সংখ্যা। বিষয়টিকে ঘিরে এই মুহূর্তে জোর আলোচনা চলছে জাতীয় রাজনীতিতে। পাশাপাশি প্রশ্নও উঠছে একাধিক।
জানা গিয়েছে, ইনস্টাতে আরএইচএর ফলোয়ার্স সংখ্যা পেরিয়েছে ৫.৬ মিলিয়ন। সেখানে তাদের রয়েছে ১০০টিরও বেশি পোস্ট। ভারতীয় সেনাকে শুধু ফলো করছে তারা। প্রোফাইলে বিআর আম্বেদকোরের বার্তা লেখা রয়েছে – ‘শিক্ষিত করো, ‘আন্দোলন করো, সংগঠিত হও’। সাথে হিন্দিতে লেখা, ‘সারি জাতি এক সমান, মেরা বস ইয়ে দেশ মহান’। সংগঠনটি জানিয়েছে, তারা কোনও রাজনৈতিক দলের সাথে নেই। যদিও প্রতিষ্ঠাতার পরিচয় এখনও জানা যায়নি। একাধিক পোস্টে তারা বার্তা দিয়েছে, “মেধাকে খুন্ন করে সংরক্ষণ ব্যবস্থা, জাতিভেদ বাড়ায় এবং প্রতিযোগিতা কমিয়ে প্রভাবিত করে শিক্ষার মানকে। তাদের আবেদন, জাতপাতের পরিবর্তে মেধার ভিত্তিতে সমান সুযোগ।
প্রসঙ্গত, ককরোচ জনতা পার্টি নিজেদের লক্ষ্যে সফল হওয়ার পর আরও এক সংগঠন প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে জোরদার প্রতিবাদের। সেই সংগঠনটির নাম ‘ই-২০ জনতা পার্টি’। ইথানল মিশ্রিত পেট্রোলকে ঘিরে যেই ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে মানুষ, তার বিরোধিতা জানাতে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নীতীন গড়করির বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মেও এই সংগঠনের জনপ্রিয়তা দিনদিন বাড়ছে। বলা ভালো, স্বল্পসময়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে তারা।



By










