দেবজিৎ মুখার্জি: রাজধানীর যন্তর মন্তরের পর এবার যোগী আদিত্যনাথের রাজ্য উত্তরপ্রদেশে পথে নামা হলো ‘জেন আলফা’র তরফ থেকে। নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্ররা ক্লাস বয়কট করে পথে নামে। তাঁদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা ও বিআর আম্বেদকরের ছবি। এছাড়া স্লোগানও দিতে দেখা যায় তাদের। যদিও আন্দোলনের কয়েকঘন্টার মধ্যেই তাদের যাবতীয় সব দাবি মেনে নেওয়া হয় সরকারের তরফ থেকে। তবে ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।
জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে ফতেহপুরে। এখানে কিষাণপুরের সর্বোদয় ইন্টার কলেজের পড়ুয়ারা আওয়াজ তোলেন শিক্ষাঙ্গনে অব্যবস্থার বিরুদ্ধে। তাদের অভিযোগ, সরকারি স্কুলের ক্যাম্পাসে বিদ্যুৎ, পাখা, এমনকী পানীয় জলেরও ব্যবস্থা নেই। এখানেই শেষ নয়, ক্লাসের চেয়ার-টেবিলগুলিরও অবস্থা খারাপ। স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে বারংবার আবেদন জানানো সত্বেও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি তাঁদের তরফ থেকে। অবশেষে ক্লাস বয়কট করে পথে নামে অজস্র পড়ুয়া।
নিজেদের দাবিগুলি কাগজে লিখে রঙিন পোস্টার বানায় তারা। তাদের হাতে ছিল আম্বেদকরের ছবি। তাদের অভিযোগ, “স্কুলে বিদ্যুৎ, জলের ব্যবস্থার দাবি তুললে কর্তৃপক্ষ হুমকি দেয় ফেল করিয়ে দেওয়ার। পড়ুয়ারা গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ে ক্লাসে পাখার ব্যবস্থা না থাকায়। এমনকী শিক্ষকরা অশালীন আচরণ করে।” তাদের বুঝিয়ে স্কুলে ফেরানোর চেষ্টা করা হয় কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে। চাপের মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত পড়ুয়াদের সমস্ত দাবি মেনে নেওয়া হয় তাদের তরফ থেকে।
জেলা স্কুল পরিদর্শক রাকেশ কুমারের বক্তব্য, “পড়ুয়াদের একটি দাবি বাদ দিয়ে বাকি সমস্ত দাবি মেনে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। আগামিকালের মধ্যে চারটি করে পাখা লাগানো হবে প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে। মেরামত করা হবে বৈদ্যুতিক তারের সংযোগ। এক মাসের মধ্যে সরবরাহ করা হবে ডেস্ক ও বেঞ্চ। প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে ক্লাসরুমে ওয়াটার কুলার, এমনকী মিড ডে মিলের মেন্যু সংশোধনেরও। শিক্ষার্থীরা একটি বিজ্ঞান ক্লাসেরও দাবি করছিল, তবে তার জন্য দরকার রয়েছে একটি ল্যাব এবং শীর্ষ কর্তৃপক্ষের অনুমতির। তাই, আপাতত সেই দাবি বাদ দিয়ে অন্যান্য সব দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে।”



By










