নিউজ ডেস্ক: প্রথমবার ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে এসে প্রশ্নবানে জর্জরিত হলেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমান। শুধু তাই নয়, কটাক্ষের মুখেও পড়তে হয় তাঁকে। যদিও তিনি এই ব্যাপারে দাবি করেছেন যে বিরোধী দলনেতা হিসেবে আসতে হয় বলে এসেছেন। তাঁর বক্তব্য, তিনি নিজের দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে তা সত্ত্বেও রাগপ্রকাশ থামেনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে ও তাঁর দলকে পড়তে হয়েছে সমালোচনার মুখে।
জামায়াতে ইসলামির তরফ থেকে শফিকুর রহমানের ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানানোর বিষয়টি আগেই ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছিল। সেই মতো শুক্রবার রাত বারোটা পেরোতেই কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে আসেন শফিকুর রহমান ১১ দলীয় জোটের নেতাদের সঙ্গে। পুষ্পস্তবক দিয়ে তিনি শ্রদ্ধা জানান। ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানানো নিয়ে একের পর এক প্রশ্নে বেকায়দায় পড়েন জামায়েত আমির।
এক সাংবাদিকের তরফ থেকে প্রশ্ন করা হয়, “জামাত কখনো ফুল দিতে আসেনি। তাহলে কি মনে করে আজ এলেন?” এই প্রশ্নে যে জামায়েত আমি অস্বস্তিতে পড়েন, তা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল। উত্তরে তিনি বলেন, “রাষ্ট্রীয় আচার হিসেবে আমার দায়িত্ব এটা। বিরোধী দলনেতা হিসেবে এখানে আসতে হবে আমাদের সঙ্গীদের, তাই এসেছি আমি।” তবে তিনিও সাংবাদিককে প্রশ্ন ছোড়েন যে তিনিই বা কেন আজ এমন প্রশ্ন করছেন এবং তা না করাই ভালো। তা বলতে বলতেই তিনি দূরে চলে যেতে থাকেন ক্যামেরার থেকে।
তবে তাতে অবশ্য সবটা শেষ হয়ে যায়নি। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে পড়তে হয়েছে কটাক্ষের মুখে। ঝরনা চৌধুরী নামে এক আওয়ামি লিগ সমর্থকের বক্তব্য, “এরা রাজাকার, দেশদ্রোহী। এরা কখনো বাংলা ভাষা বা বাংলাদেশ চায়নি। এখন আবার রূপ বদলে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে গেছে লোক দেখানোর জন্য।” অন্য একজনের বক্তব্য, “শহীদ মিনারে যেন জায়গা না দেওয়া হয় রাজাকারদের। ৫ অগাস্টের পর কতগুলো শহীদ মিনার ভেঙেছে এবং আঘাত করেছে শহীদদের সম্মানে। আজ ধর্ম ব্যবসায়ীরা শহীদ মিনার গেলেন নাটক করতে। কোনও গ্রহণযোগ্যতা নেই তাঁদের সেখানে যাওয়ার।”



By














