• Home
  • বিদেশ
  • আমেরিকা ও ইজরায়েল ব্যাকফুটে, এডভান্টেজ ইরান

আমেরিকা ও ইজরায়েল ব্যাকফুটে, এডভান্টেজ ইরান

Image

হাফিজুর রহমান: একট কাহিনি দিয়ে শুরু করি, ওয়ার্ল্ড হেভি ওয়েট চ্যাম্পিয়ন মোহাম্মাদ আলীর  রোপ এ ডোপ টেকনিক এর কথা মনে আছে? বক্সিং রিঙ্গে দড়ির উপর ভর করে অপনেন্ট এর মার হজম করা , বিপক্ষ  ক্লান্ত হয়ে পড়লেই তাকে পালটা মার দেওয়ার কৌশলই হল  বিখ্যাত রোপএ ডোপ টেকনিক। ইরানের ওয়ার স্ট্র্যাটেজি দেখে বহুদিন আগের সেই টেকনিকের কথা মনে পড়ে গেল। 

ইরান প্রথমে আমেরিকা ইজরাইল এর কাছে মার খেল , উৎফুল্ল ট্রাম্পেরঘোষনা তিন দিনে যুদ্ধ শেষ! ইরানের টপ লিডারদের মেরে মানিকজোড় যুদ্ধবাজ ট্রাম্প ও নেতানিয়াকে ইরানি তেলের  কন্ট্রোল নেবে ভেবেছিল, কিন্তু ইরান যখন মিসাইল আর ড্রোন নিয়েপাল্টা আক্রমন শুরু করলো তখন মার্কিন আর ইজরায়েলি যুদ্ধবাজ দুই নেতা দিশাহারা হয়ে গেল।  প্রথমে ঝাঁকে ঝাঁকে ড্রোন দিয়ে  ইসরাইলের গর্বের  আয়রন ডোম এর  বারোটা বাজিয়ে  পুরো ডিফেন্স সিস্টেম কে শেষ করে ঝাঁকে ঝাঁকে  মিসাইল মেরে  তেল আবিব , হাইফাকে শশ্মানে পরিনত করল, সৌদি ,কাতার ,ইয়েমেন, দুবাইয়ের মতো দেশে যেখানে আমেরিকান মিলিটারি বেস , মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাংকগুলিতে বেছে বেছে হামলা হল। 

এখানেই শেষ নয় আমারিকের ন সেভেনথ ফ্লিটএর গর্ব আব্রাহাম লিঙ্কনএ শাহিন ১৩৬ ড্রোন দিয়ে  এমন তাণ্ডব করেছে যে সেটি লেজ গুটিয়ে ইরানের জলসীমা পার হয়ে ওমানে হয়ে আশ্রয় নিয়েছে। ট্রাম্ম্পের প্রেস্টিজ ফুটো করে দাদাগিরির ফানুষ ফাটিয়ে দিয়ে যুদ্ধ জাহাজ জেরাল্ড ফোর্ডে এমন  আঘাত করেছে যে সেটিও পিছু হটে ইরানি জলসীমার বাইরে যেতে বাধ্যহয়েছে। কোনও রাস্তা না পেয়ে ট্রাম্প এখন সরাসরি ইজরায়েলের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছে।  ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু দুই যুদ্ধবাজ নেতার সামনে নির্বাচন, দুজনের কপালে ভাঁজ,

যুদ্ধ চাপিয়ে আমজনতকে কষ্ট দেওয়ার ফল পাবে দুজনে।  তিনদিন নয় মাস পার হলেও যুদ্ধ থামার লক্ষন নেই, তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে ইরানি আক্রমন। ,মরিয়া ট্রাম্প এঢিকেদিকে যুদ্ধবিরাম চায় অন্যদিকে প্যা  জায়গা রাট্রুপার নামিয়ে ইরানের ৯০% তেল রপ্তানি হয় যেখানে  সেই গ্রস্ত দ্বীপে  প্যারাট্রুপার নামিয়ে ইরানকে শিক্ষা দিতে চায় ইরানও তৈরী তারা ট্রাম্পের দাদাগিরির জবাবে স্পষ্ট জানিয়েছ গ্রাস্তে নামলে একজনও আমেরিকান দে ফ্যাটিশে ফিরবেনা।

ওয়েলকাম টু ওহেল পোস্টার দিয়ে আমেরিকান  সৈন্য দের জন্য অপেক্ষা করছে। এই মাত্র আলজাজিরার খবর ইসরায়েলে র ডিমন্যায় , যেখানে পরমাণু রিয়েক্টনার সহ বৈজ্ঞানিক আবস  ইরানি মিসাইলের আঘাতে ধুলোয় মিশে গেছে।  বৈজ্ঞানিকদের বাঙ্কারে যেভাবে আগুন লেগেছে, কারও বাঁচার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। ওদিকে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আমেরিকানরা নিউ ইয়র্কে,শিকাগো,লস এঞ্জেলস আরও ছোট বড় এলাকার আমজনতা পথে নেমেছে। ওদিকে নেতানিয়াহুর বিপাকে পড়েছে একঝাঁক পরমাণু বৈজ্ঞানিক শেষ হওয়ার ফলে লোকে তার বিরুদ্ধেও প্রতিবাদে সোচ্চার।  এখন এডভান্টাজ ইরান ব্যাক ফুটে দুই যুদ্ধবাজ নেতা। পাপের বেতন শাস্তি বোধ হয়ে একেই বলে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top