নিউজ ডেস্ক: চাপ বাড়ল পাকিস্তানের! অশনি সংকেত তাদের জন্য? কী বিষয়ে? অন্তর্বর্তী বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে যৌথ বিবৃতির পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের তরফ থেকে একটি মানচিত্র প্রকাশ করা হয় পুরো ইন্ডিয়ান টেরিটরিকে ডিনোট করে। তাতে কেন্দ্রশাসিত উপত্যকাকে দেখানো হয়েছে মোদির দেশের অংশ হিসেবে। শুধু তাই নয়, পিওকেকেও দেখানো হয়েছে ভারতের অংশ হিসেবে, যা দেখে পাকিস্তানের মাথায় যে হাত পড়েছে, তা না বললেও বোঝা যায়।
গত সোমবার ফোনে কথা হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এবং এরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই বাণিজ্যচুক্তির কথা ঘোষণা করেন। যেই ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপানো হয়েছিল ভারতীয় পণ্যের উপর, তা কমিয়ে করা হয় ১৮ শতাংশ। তবে প্রশ্ন থাকছিল যে রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য যে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপানো হয়েছিল, তা তুলে নেওয়া হবে কিনা। পরে হোয়াইট হাউসের তরফ থেকে জানানো হয় যে তা তুলে নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার অন্তর্বর্তী বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে যৌথ বিবৃতি দেয় ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তাতে বলা হয়েছে, দু’পক্ষই শীঘ্রই ইমপ্লিমেন্ট করবে চুক্তির ফ্রেমওয়ার্ক ও আউটলাইন। এখানেই শেষ নয়, বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে যে এই চুক্তির মাধ্যমে বাণিজ্যিক ও আর্থিক সম্পর্ক মজবুত হবে দুই দেশের মধ্যে। পাশাপাশি, এই বাণিজ্যচুক্তিকে ‘ঐতিহাসিক মাইলফলক’এর তকমা দেওয়া হয়েছে।
এরপরে এই মানচিত্র প্রকাশ করা হয় আমেরিকার তরফ থেকে, যা দেখে অনেকে মনে করছেন যে চিন্তায় পড়েছে পাকিস্তান। ওয়াকিবহাল বহলের মতে, যখন ভারত-মার্কিন সম্পর্কে একটা ফাটল তৈরি হয়েছিল, তখন পাকিস্তান সুযোগে সদ্ব্যবহার করার চেষ্টা করে এবং ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করে। এমনকি হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনির। কিন্তু তাতে যে তারা সফল হয়নি, এই ঘটনাই তার প্রমাণ। যদিও বলে রাখা ভালো, এই মানচিত্রে অস্বস্তিতে পড়েছে চিনও। কারণ যেই আকসাই চীনকে নিজেদের বলে দাবি করত বেজিং, সেটাও রয়েছে মানচিত্রে।
প্রসঙ্গত, গত বছর ভারত-পাক যুদ্ধবিরতি ঘোষণার সময়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প কাশ্মীরের প্রসঙ্গ টেনে বলেছিলেন যে এই বিষয়ে তিনি দুই দেশের সঙ্গে কথা বলতে প্রস্তুত। যদি ভারত সরকার প্রতিনিয়তই বলে বেরিয়েছে যে এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ তারা চায় না। সীমান্তে দুই দেশের উত্তেজনার মাঝে একাধিক কারণে সম্পর্ক খারাপ হয় ভারত ও আমেরিকার। তবে এবার অন্তর্বর্তী বাণিজ্যচুক্তিতে সহমত হয়েছে দুজনে। এবার দেখার যে আগামীদিনে কি হয়।



By













