নিউজ ডেস্ক: “নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করতে হবে ইরানকে” ফের তাদের হুশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কী বক্তব্য তাঁর? সমাজমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল থেকে তিনি জানান যে যদি কোনও ভালো নেতা নির্বাচিত হন ইরানে, তাহলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য বন্ধু দেশগুলি তাদের সাহায্য করবে ধ্বংসের মুখ থেকে ফিরিয়ে আনতে। এখানেই শেষ নয়, তিনি এও জানান যে নয়া নেতৃত্ব আসার পর কাজ করা হবে ইরানের অর্থনীতি রিস্টোর এবং এই দেশের অর্থনীতির পুনরায় শক্তিশালী করার লক্ষ্যে।
দীর্ঘ চাপা উত্তেজনার পর গত শনিবার ইরানে যৌথভাবে হামলা চালানো হয় ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমেরিকা ও বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ইসরাইলের তরফ থেকে। এই হামলায় না ফেরার দেশে চলে যান ইরানের প্রাক্তন প্রয়াত সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেই। এই বিষয়টি জনসম্মুখে আসতেই রীতিমতো হইচই পড়ে যায় সেই দেশ সহ গোটা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে। বলা ভালো, এক চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে গোটা বিশ্বে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে। ইরানের তরফ থেকেও পাল্টা দেওয়া হচ্ছে, যা ঘিরে যুদ্ধের ময়দানের চেহারা নিয়েছে পশ্চিম এশিয়া বা মধ্যপ্রাচ্য।
মিডিল ইস্টে যুদ্ধের গতি বাড়তেই ফের ইরানকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সমাজমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল থেকে বলেন, “নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করতে হবে ইরানকে বের হওয়ার আগে কোনও কূটনৈতিক পথ। যদি সেই দেশে কোনও ভালো নেতা নির্বাচিত হন, তাহলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য বন্ধু দেশগুলি একসাথে কাজ করে তাদের সাহায্য করবে ধ্বংসের মুখ থেকে ফিরিয়ে আনতে।”
তিনি আরো বলেন, “নতুন লিডারশিপ আসার পর কাজ করা হবে ইরানের অর্থনীতির রিস্টোর করতে এবং তাদের ফের শক্তিশালী করতে।” ডোনাল্ড ট্রাম্পের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে তিনি বড় ভূমিকা পালন করতে চান ইরানের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ তৈরি করার ক্ষেত্রে। ব্যক্তিগতভাবে তিনি যেভাবে ভেনেজুয়েলার নেতা ঠিক করেছেন, ঠিক একইভাবে তিনি নতুন নেতা খুঁজতে চান ইরানের বলেও জানিয়েছেন। এবার দেখার বিষয় যে আগামীদিনে কি হয়। প্রসঙ্গত, এই নিয়ে সপ্তম দিনে পড়েছে যুদ্ধ।



By














