দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: যেভাবে পড়ুয়াদের আন্দোলনের সামনে মাথানত করতে বাধ্য হয়েছে কেন্দ্র এবং ইস্তফা দিয়েছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, তার প্রশংসা করেছেন কালীঘাট তৃণমূলের সাংসদ, তথা দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কী বললেন তিনি? তাঁর বক্তব্য, যেভাবে এক যুব প্রজন্ম কেন্দ্রকে মাথানত করতে বাধ্য করেছে, তাতে প্রমাণিত গণতন্ত্রের আসল শক্তি জনগনের ক্ষমতার মধ্যেই রয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, “আমরা দেখেছি, কীভাবে তরুণদের এক দৃঢ়প্রতিজ্ঞ প্রজন্ম সবচেয়ে শক্তিশালী সরকারগুলোকেও নতজানু করতে পারে। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, যেকোনো গণতন্ত্রের আসল শক্তি তার জনগণের ক্ষমতার মধ্যেই নিহিত থাকে।” সেলিব্রিটি থেকে শুরু করে ক্রীড়া জগতের তারকাদের একহাত নিয়ে তিনি লেখেন, “একই সময়ে, বহু সেলিব্রিটি, ইনফ্লুয়েন্সার, ক্রীড়া জগতের তারকা এবং চলচ্চিত্র তারকারা তরুণ ও শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর বদলে নীরব থেকেছেন। ভয়, সতর্কতা বা আত্মস্বার্থ, যাই হোক না কেন, অনেক কিছু বলে দিয়েছে তাঁদের এই নীরবতাই।” তাঁর সংযোজন, “তাঁরা যদি আমাদের পাশে না দাঁড়ায় দুঃসময়ে, তাহলে আমরাই বা দাঁড়াবো কেন তাঁদের পাশে?”
প্রসঙ্গত, প্রায় মাসখানেকের উপর প্রাক্তন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে আন্দোলন চালায় ককরোচ জনতা পার্টি, যা ঘিরে লাগাতার বিরোধীদের কটাক্ষের মুখে পড়তে হচ্ছিল মোদি সরকারকে। তবে বিরোধীদেরও প্রতিনিয়ত পাল্টা দিয়ে গিয়েছিল পদ্ম শিবিরের নেতারা। এই আন্দোলন শুধু দেশের মাটিতেই নয়, বিদেশের মাটিতেও ছড়িয়ে পড়ে। তোলপাড় চলে দেশের নানা প্রান্তে। অবশেষে ইস্তফা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তিনি দাবি করেন, “কিছু দেশ-বিরোধী কুচক্রী ষড়যন্ত্র করছে ছাত্র আন্দোলনের নামে। তারা যাতে কোনওভাবেই সুবিধা তুলতে না পারে পরিস্থিতির, সেজন্যই ইস্তফা আমার। দেশের জন্য আমার এই পদত্যাগপত্র।” এবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন প্রহ্লাদ যোশী।



By










