দেবজিৎ মুখার্জি: মধ্যপ্রাচ্যে চলতি যুদ্ধের ফলে বন্ধ হরমুজ প্রণালী, যার জেরে জ্বালানি সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে অন্যান্য দেশগুলির মতো ভারতও। সোমবার এই ব্যাপারে সংসদে বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি জানান যে হরমুজ থেকেই প্রয়োজনের জ্বালানি তেল, গ্যাস ও সারের বড় বাণিজ্য হয়, যা এখন ঝুঁকিপূর্ণ যুদ্ধের জেরে। তারা চেষ্টা করছে যাতে প্রভাবিত না হয় পেট্রোল, ডিজেল, গ্যাসের সাপ্লাই।
কীভাবে মোকাবিলা করা হবে সংকটের, সেই ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অসুবিধা কমানোর জন্য যা যা প্রয়োজন, তা করছে সরকার। জ্বালানি গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে দেশের ভিতরে। উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে যাতে স্বাভাবিক থাকে পেট্রোল, ডিজেলের সাপ্লাই। বৈচিত্র আনা হয়েছে কয়লা, এলপিজি, এলএনজি আমদানিতেও। ভারত বর্তমানে জ্বালানি আমদানি করছে ৪১টি দেশ থেকে। আমাদের একাধিক জাহাজ হরমুজ পেরিয়ে এসেছে এই সংঘাতের মাঝেও।”
তিনি আরো বলেন, “সরকারের তরফ থেকে বৈদ্যুতিন ক্ষেত্র আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে। রাজ্যগুলিকে ইভি বাস দেওয়া হয়েছে মেট্রো, রেলের পাশাপাশি। অর্থনীতির মেরুদন্ড শক্তিই। সুতরাং সরকারের তরফ থেকে, অর্থনীতিতে যুদ্ধের প্রভাব যাতে একেবারে কম থাকে, তা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।” প্রধানমন্ত্রীর সংযোজন, “বিদ্যুতের চাহিদা বাড়বে গ্রীষ্মকালে। যথেষ্ট পরিমাণ কয়লা মজুত রয়েছে আমাদের বিদ্যুৎ কেন্দ্রে এবং পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে সব বিদ্যুৎ সাপ্লাই ব্যবস্থা। পাশাপাশি, ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের এবং উৎসাহিত করা হচ্ছে পারমাণবিক শক্তি উৎপাদনকে।”
প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে এটাও জানানো হয়েছে যে দেশে ৫৩ লক্ষ মেট্রিক টন জ্বালানি রাখার ভান্ডার রয়েছে। তবে জ্বালানির যোগান জারি রাখতে নজর রাখা হচ্ছে ভারতের দিকে আশা তেলবাহী, গ্যাসবাহী জাহাজগুলির উপর।



By













