নিউজ ডেস্ক: ফের অসস্তিতে পাকিস্তান। কী হয়েছে এবার? জার্মানিতে একপ্রকার মুখ পুড়ল সেই দেশের সেনাপ্রধান আসিম মুনীরের। কী ঘটেছে সেখানে? মিউনিখে আয়োজিত এক সম্মেলনে রীতিমতো আইডি দেখাতে হয় তাঁকে এবং এরপরই তাঁকে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়। এই সংক্রান্ত একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে এবং তা জনসম্মুখে আসতেই যে একটা অস্বস্তি তৈরি হয়েছে পাকিস্তানের অন্দরে, তা বলাই বাহুল্য।
ঘটনাটি ঠিক কি? নিরাপত্তাকে কেন্দ্র করে একটি সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল মিউনিখে। সেখানে গিয়েছিলেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনীর ও তাঁর দল। সেখানে প্রবেশ করার সময়ে নিরাপত্তারক্ষীরা দেখতে চান তাঁর আইডি। পাক সেনাপ্রধানের সহযোগীকে আইডি দেখাতে বলা হয়। মুনীরের গলাতেও ঝোলানো ছিল আইকার্ড। কিন্তু যেহেতু তা উল্টানো ছিল বলে নিরাপত্তারক্ষীরা প্রথমে বুঝতে পারেননি। সেই কারণে তাঁকে তা সোজা করতে বলা হয়। পাক সেনাপ্রধান এর জন্য কিছুক্ষণ থমকে যান।
এই ভিডিও চারিদিকে ভাইরাল হতে লাগেনি খুব বেশি সময়। সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়তেই উঠতে শুরু করেছে একাধিক প্রশ্ন। শুধু তাই নয় অনেকে অনেকরকম মন্তব্য করছেন বা মতামত দিচ্ছেন কমেন্ট বক্সে। তবে দিনের শেষে এর জন্য যে পাক সেনাপ্রধান অসীম মুনির সহ গোটা পাকিস্তানের অস্বস্তি বেড়েছে, তা না বললেও বোঝা যায়।
পাশাপাশি, সম্মেলনে মুনিরের থাকা নিয়ে আপত্তি জানানো হয়েছে ‘জয় সিন্ধু মুত্তাহিদা মাহাজ’ নামে এক পলিটিক্যাল অরগানাইজেশনের তরফ থেকে। এটিও সিন্ধু প্রদেশের অন্যতম বিচ্ছিন্নতাবাদী রাজনৈতিক দল। তারাও চায় পাকিস্তান থেকে আলাদা হোক সিন্ধুদেশ। সম্মেলনের বাইরে বিক্ষোভ দেখিয়েছে তারা। কী বক্তব্য তাদের? ‘জয় সিন্ধু মুত্তাহিদা মাহাজ’এর অভিযোগ, পাক সেনার জন্য মানবাধিকার লংঘন হচ্ছে। শুধু তাই নয়, তাদের তরফ থেকে চিঠি পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে রাষ্ট্রসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জার্মানির সরকার ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনকে এবং জানানো হয়েছে যে এই সম্মেলনে মুনিরের থাকাটা এক আক্ষেপের বিষয়।



By













