দেবজিৎ মুখার্জি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: দেখতে দেখতে শেষ হয়ে গেছে বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ পর্ব। এখন সকল রাজ্যবাসীর নজর রয়েছে ৪ মের উপর। কে সরকার গঠন করবে? এই মুহূর্তে এই প্রশ্নই এখন ঘোরাফেরা করছে গোটা রাজ্যে। কেউ মনে করছেন ফের ক্ষমতায় আসবে তৃণমূল কংগ্রেস। আবার অনেকের মতে এবার বাংলায় চলবে বিজেপির শাসন। সব মিলিয়ে, উত্তেজনা একেবারে আলাদা পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে সকল রাজ্যবাসীর।
এই সবকিছুর মাঝে রাজ্যবাসীর বিশেষ নজর রয়েছে ভাঙরে। গত বিধানসভা নির্বাচনের পর যেভাবে সেখানে একের পর এক ঘটনা ঘটেছে, তারপর তা হয়ে উঠেছে রাজ্যের অন্যতম স্পর্শকাতর বিধানসভা কেন্দ্র। তবে এই কেন্দ্র থেকে জয় নিয়ে আশাবাদী দুই হেভিওয়েট – তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শওকত মোল্লা এবং আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকী।
যদিও কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে আলাদা মত দুজনের। নওশাদের বক্তব্য, যেভাবে বুথে বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী টহল দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা দিচ্ছে সাধারণ ভোটারদের, তা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন যে বাহিনী যেভাবে কাজ করেছে, তা নিরপেক্ষ এবং ভোটারদের মনে আস্থা তৈরি করছে ও সাহায্য করছে অশান্তি ঠেকাতে।
অন্যদিকে শওকত মোল্লার বক্তব্য, বেশ পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে বয়স্ক ভোটাররা, আতঙ্কিত বোধ করছেন তাদের উপস্থিতিতে। তাঁর দাবি, নির্বাচনের স্বাভাবিক পরিবেশকে নষ্ট করার চেষ্টা করছে বাহিনীর এই একপেশে কাজ। তাঁর তরফ থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, ভোটারদের উপর কেন দেখানো হচ্ছে এমন কঠোর মনোভাব? ভোটারদের সাথে বাহিনীর এমন আচরণ নিয়ে তিনি তাঁর অসন্তোষের কথা জানিয়েছেন কমিশনকেও।



By











