দেবজিৎ মুখার্জি: রাজধানীতে পরপর দুদিন রুদ্ধশ্বাস বৈঠকের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতি সহ জাতীয় রাজনীতিতে জল্পনা শুরু হয়েছিল যে শীঘ্রই হাত শিবিরে মিশে যেতে পারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। বিষয়টিকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে যেমন উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল, তেমনি সমীকরণ সংক্রান্ত নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। শুধু তাই নয়, প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে দুই দলের রণকৌশল নিয়ে।
তবে সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ঘাসফুল ও হাত, দুই শিবিরের তরফ থেকেই। তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রের বক্তব্য, কোন প্রশ্নই ওঠে না সংযুক্তিকরণের। তবে আগামীদিনে দুই দল একসাথেই চলতে পারে, সেই বার্তা পরিষ্কার করেই দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের নির্বাচনগুলি থেকে শুরু করে বড় লড়াইয়ের ক্ষেত্রেও দুই দল জোট করবে, সেই সম্ভাবনাই বেশি।
দলের একাংশ মনে করছেন যে গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে বিরোধী ভোটকে এক ছাদের তলায় আনার লক্ষ্যে কংগ্রেসের সাথে দূরত্ব কমানো শুরু করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়রা। তৃণমূলের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে যে ইতিমধ্যেই সিপিএম কার্যত সম্পর্ক ছিন্ন করেছে হাত শিবিরের সঙ্গে। সেক্ষেত্রে কংগ্রেস ও তৃণমূলের সমঝোতার রাস্তা থেকে যাবতীয় বাধা অনেকটাই দূর হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের তরফ থেকে। সূত্রের খবর, সেই প্রেক্ষিতেই এদিন রাহুল-অভিষেক বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি, তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ টানাপড়েন এবং বিরোধী রাজনীতির ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে। ওভারঅল বার্তা একটাই এবং সেটা হল “যোগ নয়, জোট”। এখন দুই দলের নয়া সমীকরণ শুধু সময়ের অপেক্ষা বললে অত্যুক্তি হবে না।



By













