• Home
  • Uncategorized
  • আইপ্যাক কাণ্ডের পর বঙ্গসফরে ব্যাপক নিরাপত্তা রাহুল নবীনকে

আইপ্যাক কাণ্ডের পর বঙ্গসফরে ব্যাপক নিরাপত্তা রাহুল নবীনকে

Image

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা যে মাত্রার নিরাপত্তা পান, তা দেওয়া হলো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) ডিরেক্টর রাহুল নবীনকে। জেড প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে তাঁকে বঙ্গসফরে। দিল্লিতেও তাঁকে এতটা নিরাপত্তা দেওয়া হয় না, যতটা তাঁকে দেওয়া হয়েছে বাংলায়। স্বাভাবিকভাবে যে হারে এত নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে তাঁকে, তাতে প্রশ্ন উঠছে যে আরও বড় কোনও ছক কি রয়েছে ইডির?

সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক কোনও ঝুঁকি নিতে চায়নি রাহুল নবীনের কলকাতা আসা নিয়ে আইপ্যাক কাণ্ডের পর। বিমানবন্দরে পা রাখার পর থেকে তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হয় সিআরপিএফের ভিআইপি সিকিউরিটি গ্রুপ থেকে ২০ জন জওয়ানকে। যদিও তিনি বুলেটপ্রুফ গাড়িতে ওঠেননি। 

তাঁর কনভয়ে যে পাইলট কারটি থাকছে, তা সিআরপিএফ, সিআরপিএফের ভিআইপি সিকিউরিটি গ্রুপের। এছাড়া দুই প্লাটুন সিআরপিএফ জওয়ান দেওয়া হয়েছে সিজিও কমপ্লেক্সে। ৩৫ থেকে ৪০ জন জওয়ান রয়েছেন সেখানকার সমস্ত গেটে। এছাড়া একজন করে জওয়ান রয়েছে সিঁড়িতেও। এক কথায় বলতে গেলে, যে নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে তা চক্ষু চড়কগাছ করে দেওয়ার মতো।

উল্লেখ্য, গত ৮ জানুয়ারি কয়লা পাচার মামলার তদন্ত করতে আইপ্যাক ও তার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে হানা দেন ইডি আধিকারিকরা। খবর জানাজানি হতেই দুই জায়গাতেই ছুটে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বেশকিছু ফাইল ও নথি নিয়ে বেরিয়ে আসেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে, কেন্দ্রের নির্দেশে, গোপন নথি চুরির অভিযোগ তোলেন। 

যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয় ইডির তরফ থেকে। একে অপরের দিকে অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের আঙুল তোলে ঘাসফুল ও গেরুয়া শিবির। পথে নেমেও এর প্রতিবাদ জানান তৃণমূল সুপ্রিমো ও দলের অন্যান্য নেতারা। মামলার জল গড়ায় কলকাতা হাই কোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট, দুই আদালত পর্যন্তই। এবার দেখার আগে কি হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top