দেবজিৎ মুখার্জি: মধ্যপ্রাচ্যে চলতি সংঘাতের জেরে যে এলপিজি সরবরাহের ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা গিয়েছে, তা মেনে নিল মোদি সরকার। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়েসওয়াল দাবি করেছেন যে সরকারের মূল লক্ষ্য জ্বালানি নিরাপত্তায় এবং দরকার হলে এলপিজি কেনা হবে রাশিয়া থেকেও। পাশাপাশি, ইরান-ইসরাইল দুজনকেই নিশানা করে তিনি জানান যে গ্রহণযোগ্য নয় জ্বালানি পরিকাঠামোর উপর আক্রমণ।
বৃহস্পতিবার পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে বড়রকমের ঘাটতি নেই দেশে বাড়িতে ব্যবহারের এলপিজি সিলিন্ডারের। বরং কিছুদিনের জন্য চাপ তৈরি হয়েছিল গুজব ও ভয় থেকে বুকিং বেড়ে যাওয়ায়। পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে গত কয়েকদিনে প্রায় ২৮% পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে এলপিজি উৎপাদন। প্রতিদিন সাপ্লাই করা হচ্ছে প্রায় পঞ্চাশ লক্ষ এলপিজি সিলিন্ডার এবং কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারগুলিকে মজুতদারি ও কালোবাজারি ঠেকানোর ব্যাপারে। পাশাপাশি দেশবাসীকে নিয়ম অনুযায়ী গ্যাস বুক করার আবেদন করা হয়েছে অকারণে আতঙ্কিত না হয়ে। সরকারের দাবি, ডিজিটাল দ্বারা বুকিং হচ্ছে টোটাল বুকিংয়ের প্রায় ৯০% বেশি প্রায় ৯৪%।
তবে গ্যাস সাপ্লাই নিয়ে সরকারের ভিতর ভয় থাকছেই। রণধীর জয়েসওয়ালের বক্তব্য, হরমুজে চলতি অস্থিরতার ফলে দেশের ফুয়েল সাপ্লাই ইতিমধ্যেই প্রভাবিত হয়েছে। এলএনজি আমদানিতেও ক্ষতি হওয়ার ভয় তৈরি হয়েছে নতুন করে গ্যাস উৎপাদনকারী কেন্দ্রগুলির উপর আক্রমণের ফলে। বেশি চিন্তা বেড়েছে এলপিজি সাপ্লাই নিয়ে। তবে ইতিমধ্যেই বিকল্প ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ব্যবস্থা করা হচ্ছে আমেরিকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন দেশ থেকে এলপিজি আমদানির। দরকার হলে তা কেনা হবে রাশিয়া থেকেও। কারণ সরকারের মূল লক্ষ্য দেশের জ্বালানি নিরাপত্তাই। নাম না করে ইরান ও ইসরাইলকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন যে শুধু একটা নির্দিষ্ট অঞ্চলের নয়, জ্বালানি পরিস্থিতি গোটা বিশ্বের খারাপ হয়ে উঠবে যদি আক্রমণ করা হয় জ্বালানি পরিকাঠামোকে লক্ষ্য করে।



By













