দেবজিৎ মুখার্জি: “আন্দোলন হলেই করা যায় না লাঠিচার্জ” সোমবার, ২৭ জুলাই, এমনই মন্তব্য করা হলো শীর্ষ আদালতের তরফ থেকে। কদিন আগে সংসদ অভিযানে নেমেছিলেন লক্ষ লক্ষ পড়ুয়া, যেখানে লাঠি চালানো হয় পুলিশের তরফ থেকে। ঘটনায় তদন্তের দাবি তুলে আবেদন জমা দেওয়া হয় সুপ্রিম কোর্টে। সেই মামলার শুনানির সময়ে এমন মন্তব্য করে আদালত।
এদিন শুনানির সময়ে সুপ্রিম কোর্ট বলে, “শান্তিপূর্ণভাবে এবং নিয়ম মেনে প্রতিবাদকে স্বীকৃতি দিয়েছে সংবিধান। কোনও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে, শুধুমাত্র প্রতিবাদ হচ্ছে বলেই, লাঠিচার্জ করা যায় না।” সেদিন প্রসঙ্গে আদালতের বক্তব্য, “তদন্ত হওয়া দরকার পুলিশের আচরণ নিয়ে। শুধু তাই নয়, সরকারকে জবাব দিতে হবে, যে সমস্ত পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন, তাঁদের জন্য পর্যাপ্ত গিয়ারের ব্যবস্থা কেন ছিল না।” দেশের সর্বোচ্চ আদালত মনে করছে, ভেবে দেখা উচিত গোটা দেশের পুলিশকর্মীদের ইউনিফর্ম নিয়ে গাইডলাইনের বিষয়টি।
প্রসঙ্গত, আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের সংসদ অভিযান নিয়ে রীতিমত রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়ে ছিল রাজধানী দিল্লি। পড়ুয়াদের উপর লাঠিচার্জের অভিযোগ তোলা হয় পুলিশের বিরুদ্ধে, যা ঘিরে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে কেন্দ্রকে। যদিও শাসক শিবিরের তরফ থেকেও লাগাতার এর পাল্টা দেওয়া হচ্ছে। মহিলা আন্দোলনকারীদের মারধরের অভিযোগও উঠেছে। আইনজীবীরা বলেন, “আঘাত করা হয়েছে গোপনাঙ্গ লক্ষ্য করে। অনেকেরই পুলিশি ব্যাজ ছিল না। এর সমর্থনে অন্তত ১১০টি ভিডিও রয়েছে।” গোটা ঘটনায় নানা দাবি তুলে পিটিশন দায়ের হয় শীর্ষ আদালতে। তদন্তের পাশাপশি সিসিটিভি ফুটেজ, পুলিশের বডি ক্যামেরার রেকর্ডিং সংরক্ষণ ও আহত প্রতিবাদীদের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবিও করা হয়েছে।



By










