দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: তারাতলায় বিপর্যয় ঘটনায় এবার চাঞ্চল্যকর মোড়। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দেওয়া হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিশেষ তদন্তকারী দলের (সিট) আটক কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম ঘনিষ্ঠ কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়, ওরফে কালী। খবর জানাজানি হতেই ব্যাপক শোরগোল পড়েছে বঙ্গ রাজনৈতিক মহলে। শুধু তাই নয়, এর সাথে উঠতে শুরু করেছে একাধিক প্রশ্নও। বলা ভালো, উত্তেজনা তুঙ্গে পৌঁছেছে রাজনৈতিক মহলের।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভায় দাঁড়িয়ে জানান যে কলকাতা পুরসভা অনুমোদিত গোডাউন প্ল্যানে সই রয়েছে তৎকালীন মেয়র ফিরহাদ হাকিম সহ সংশ্লিষ্ট ইঞ্জিনিয়ারদের। রাজ্যের সর্বোচ্চ নেতা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “তৃণমূল সরকার টাকা নিতে নিতে মৃত্যুপুরী বানিয়েছে সিটি অফ জয় কলকাতাকে। আপনাদের পাপের ফল এটা।” প্রাক্তন শাসকদলকে একহাত নিয়ে তিনি আরো বলেন, “কোনও শিক্ষা নেননি নানা দুর্ঘটনা থেকে। এখানে সই আছে প্রাক্তন মেয়রের। ছাড়া হবে না কাউকে।”
এরপর তিনি বলেন, “আমরা জানি না কী হয় কলকাতা পুরসভায়? সব তথ্য বেরিয়ে আসবে কালীকে ধরলেই। ও না বললে কোনও প্ল্যান হয় না। ওই তৃণমূল ভবন বানাচ্ছে বাইপাসের ধারে। এফআইআর হয়েছে, ব্যবস্থা নিচ্ছি।” সূত্র মারফত খবর, কালীর পুরো নাম কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তিনি রাজ্য সরকারের একজন কর্মচারী। তিনি মেয়র পদে থাকাকালীন ফিরহাদ হাকিমের ওএসডি (অফিসার অন স্পেশ্যাল ডিউটি) ছিলেন। শুভেন্দু অধিকারীর দেওয়া হুঁশিয়ারির কয়েক ঘন্টার মধ্যেই কালী গ্রেফতার হলেন। এবার দেখার বিষয় যে জল কতদূর গড়ায়। কী হতে চলেছে আগামীদিনে?



By













