দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: কী উপহার দিতে চলেছে রাজ্য সরকার? এই মুহূর্তে এই প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছে রাজ্যবাসীদের মনে। কিছুক্ষণের মধ্যেই পেশ করা হবে বাজেট। এই পরিস্থিতিতে সবে ক্ষমতায় আসা বিজেপি সরকার কী ঘোষণা করে সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে, সেদিকেই এখন নজর সকল রাজ্যবাসীর। শুধু তাই নয়, রাজনৈতিক মহলেও আগ্রহ বাড়তে শুরু করেছে গেরুয়া শিবিরের প্রথম বাজেট ঘিরে।
সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে হয়েছে অষ্টাদশ বিধানসভা নির্বাচন। তাতে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে বিজেপি এবং রাজ্যে প্রথমবার ক্ষমতায় এসে গড়েছে ইতিহাস। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর একাধিকবার শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন যে বিজেপি সরকার উন্নয়ন করার পাশাপাশি রাজ্যবাসীর সুবিধার্থে সবরকম কাজ করবে। যদিও বিরোধীরা লাগাতার দাবি করে চলেছে যে গেরুয়া শিবির জনস্বার্থ বিরোধী।
এই আবহে সোমবার, ২২ জুন, প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করা হবে নয়া নির্বাচিত সরকারের তরফ থেকে। সুতরাং রাজ্যের সাধারণ মানুষের যে নজর সেদিকেই থাকবে, তা বলাই বাহুল্য। কী ঘোষণা করতে চলেছে সরকার বা সেই ঘোষণা থেকে তাঁদের কোনও সুবিধা হবে কিনা, এই জাতীয় নানা প্রশ্ন এই মুহূর্তে ঘোরাফেরা করছে গোটা রাজ্যে। রাজনৈতিক মহলেও যে একই প্রশ্ন চলছে, তা না বললেও স্পষ্ট।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি শেষ হওয়া বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল দুটি দফায় এবং ফলপ্রকাশ হয়েছিল মে মাসের ৪ তারিখে। দুশোর বেশি আসন নিজেদের নামে করে গেরুয়া শিবির। অন্যদিকে, প্রাক্তন শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের ঝুলিতে যায় একশোরও কম আসন। শূন্যের গণ্ডি পেরিয়েছে সিপিএম ও কংগ্রেস। অন্যদিকে, নিজেদের গড় ভাঙর ধরে রাখতে সফল হয় আইএসএফ। হুমায়ুন কবিরের দল আমজনতা উন্নয়ন পার্টিও প্রথমবার ভোটের ময়দানে নেমে খাতা খুলেছে।
যদিও এবারের নির্বাচনে এসআইআরের কারণে বহু ভোটার ভোট দিতে পারেননি, যা ঘিরে জোর আলোচনা অব্যাহত রয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। এছাড়া দেখা গিয়েছিল নজিরবিহীন নিরাপত্তা। প্রথম থেকেই নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কড়া অবস্থান নেওয়া হয়েছিল নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে এবং অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে কোনরকম খামতি রাখা হয়নি।



By










