• Home
  • দেশ
  • ‘অপারেশন সিঁদুর’এ নাস্তানাবুদ হওয়ায় ধর্মযুদ্ধের ডাক মুনীরের, জানাল জইশ কমান্ডার

‘অপারেশন সিঁদুর’এ নাস্তানাবুদ হওয়ায় ধর্মযুদ্ধের ডাক মুনীরের, জানাল জইশ কমান্ডার

Image

নিউজ ডেস্ক: ‘অপারেশন সিঁদুর’এ একেবারে তছনছ হয়ে গিয়েছিল গোটা পাকিস্তান। ভারত সরকারের তরফ থেকে যেই জবাব দেওয়া হয়, পহেলগাওয়ে ভারতীয় পর্যটকদের হত্যার পর, তা হয়তো আজীবন মনে রাখবেন পাক নাগরিকরা। তবে এতদিন পর জইশ কমান্ডার ইলিয়াস কাশ্মীরি ফাঁস করলেন পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনীরের ষড়যন্ত্র। তার দাবি, মুনীর ‘অপারেশন সিঁদুর’এ নাস্তানাবুদ হওয়ায় ‘গজওয়া-ই-হিন্দ’ বা ‘ধর্মযুদ্ধে’র ডাক দিয়েছিলেন।

গত বৃহস্পতিবার সন্ত্রাসবাদীদের নিয়ে একটি সভার আয়োজন করা হয় পিওকের রাওয়ালকোটে। সেখানে বক্তব্য রাখে ইলিয়াস কাশ্মীরী। নিজের বক্তব্যে সে ‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়ে কথা বলে এবং তা হওয়ায় কি হয়েছিল, সেই সবটা তুলে ধরে। তার মধ্যে উঠে আসে পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনীরের নাম। তখন তিনি কি করেছিলেন, সেই সবটা জানায় জৈশ কমান্ডার।

কাশ্মীরী বলে, “অস্ত্রও বেরিয়ে পড়েছিল যখন যুদ্ধ শুরু হয়েছিল। একে অপরের মুখোমুখি হলো যুদ্ধবিমান। মুখোমুখি এসে পড়েছিল দুই দেশের ট্যাংকও। তখন কমান্ডারের তরফ থেকে ঘোষণা করা হয় এটা গাজওয়াত-উল-হিন্দ, এটা বুনিয়ান আল-মারসুস।” এরপরই জইশ-ই-মহম্মদের আইডিওলজি নিয়ে বক্তব্য রাখে ইলিয়াস। সে বলে, “রাজনৈতিক পরিস্থিতি যাই হোক না কেন পাকিস্তানের, এই সংগঠনের প্রধান লক্ষ্য জেহাদ। আমাদের নাম, পরিচয় ও নীতিবাক্য হল জেহাদ। আমাদের পথ, আমাদের লক্ষ্য জেহাদ, সরকার সমর্থন করুক বা না করুক। আমরা সেটা চালিয়ে যাব কাশ্মীরকে মুক্ত করার জন্য।”

প্রসঙ্গত, পহেলগাওয়ে ভারতীয় পর্যটকদের হত্যার জবাব দিতে ‘অপারেশন সিঁদুর’এর পথে হেটেছিল ভারত। গোটা পাকিস্তানকে রীতিমতো ধ্বংস করে দেওয়া হয়। বেশ কয়েকজন সেনা ও সন্ত্রাসবাদির মৃত্যু হয়। তবে এখানেই থেমে যায়নি ভারত সরকার। সিন্ধু জলচুক্তিও স্থগিত করে দেওয়া হয় তাদের তরফ থেকে। অবশেষে শত্রুদেশের তরফ থেকে কাতর অনুরোধ করা হয় যুদ্ধবিরতির। অবশেষে তা মেনে নেয় ভারত। তবে তারপরও একে অপরকে মাঝেমধ্যেই হুঁশিয়ারি দিয়ে চলেছে দুই দেশ। এবার দেখার বিষয় যে আগামীদিনে কি হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top