দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: “৫ জন কর্মী থাকলেও আমাদের মিটিং হবে” ২১শে জুলাই সভা নিয়ে বললেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কী বললেন তিনি? তাঁর বক্তব্য, সেই কর্মসূচি নানা ঝড়-জল পেরিয়ে দলকে করতে হবে। এখানেই শেষ নয়, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লাগাতার জেরার কথাও তোলেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে লড়াইয়ের বার্তা দেন।
রাজ্যে পালাবদলের পর বিশাল ভাঙন ধরেছে তৃণমূলে, যা এই মুহূর্তে এক বড় আলোচনার বিষয় রাজ্য রাজনীতিতে। ৬৪ জনেরও বেশি বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের সাথে হাত মেলানোর জেরে পরিষদীয় দলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। অন্যদিকে লোকসভাতেও একই চিত্র। দলের ২৮ জন সাংসদের মধ্যে ২০ জন যোগ দিয়েছেন বিজেপি নেতৃতাধীন এনডিএ সমর্থিত এনসিপিআইতে।
এই আবহে ২১শে জুলাই সভা নিয়ে বার্তা দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার রামমোহন লাইব্রেরিতে মমতাপন্থী তৃণমূলের কর্মিসভা থেকে উত্তর কলকাতা তৃণমূলের জেলা সভাপতি কুণাল ঘোষের ফোনের দ্বারা সকলকে বার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “আমাদের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না মিটিং-মিছিলের। অনুমতি চাওয়া হয়েছে ২১শে জুলাইয়ের জন্য। আশা করি অনুমতি পাব আমরা। বছরে একটাই প্রোগ্রাম তৃণমূলের। আর তা আমাদের অনেক ঝড়-জল পেরিয়ে করতে হবে। কিন্তু, আমাদের মিটিং হবে ৫ জন কর্মী থাকলেও। তাই সমবেত হন, জমায়েত হন ২১শে জুলাই।”
দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লাগাতার এজেন্সি দিয়ে হেনস্থার প্রসঙ্গও টেনে আনেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “আজকে ভাবুন তো কী যাচ্ছে আমাদের পরিবারের উপর দিয়ে! আমার দুই ভাইকে আমি আগেই তাড়িয়েছি। সবাই সমান হন না সব পরিবারে। কিন্তু আমার সঙ্গে থাকেন অভিষেকের বাবা-মা। আজকে লাগাতার কোর্টে যেতে হচ্ছে অভিষেককে। রোজ সিআইডি, ইডি ডাকছে।” তিনি সকলকে সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে লড়াইয়ের বার্তা দিয়েছেন।



By













