দেবজিৎ মুখার্জি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: আরও বিপাকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর আপ্তসহায়ক সুমিত রায়। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস, ওরফে ববিকে, সঙ্গে নিয়েই ডায়মন্ড হারবার থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন ডায়মন্ড হারবার থানার সরিষা হাট এলাকার বাসিন্দা প্রবীর হালদার ও কলাগাছিয়ার বাসিন্দা অশোক বর্মন। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সেই জেলা সহ সমগ্র বঙ্গ রাজনীতিতে।
প্রবীর হালদার একজন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্ণধার। তাঁর অভিযোগ, ২০২১ সালে করোনার সময় যখন তিনি অসহায় মানুষদের ত্রাণ বিলি করছিলেন, তখন তৃণমূলের তরফ থেকে বলা হয় ত্রাণ বিলি না করে তাদের হাতে টাকা তুলে দিতে। তিনি তা মেনে না নেওয়ায় তাঁর বাড়ি ভাঙচুর করেন তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা এবং তাঁকে মারধরও করেন। বাড়ির অন্যান্য সদস্যদেরও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ এবং থানায় না জানানোর হুমকি দেওয়া হয়। তবুও তিনি থানায় জানান এবং অভিযোগ জমা দেন। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। উল্টে তাঁর বাড়ির সামনে বোমাবাজি করা হয় এবং ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়।
অন্যদিকে তৎকালীন বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি অশোক বর্মনের বাড়িতেও তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় ২০২১ সালের নির্বাচনের পর বলে অভিযোগ। তাঁর হাত-পা ভেঙে দেওয়া হয় এবং সেই অবস্থায় তিনি কলকাতায় এসে চিকিৎসা করান। ঘরছাড়া ছিলেন তিনি প্রায় বছরখানেক। যখন তিনি এসে অভিযোগ দায়ের করতে যান, তখন তা নেওয়া হয়নি। তবে এবার রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই জাতীয় ঘটনাগুলিতে জিরো টলারেন্সের বার্তা দিয়েছেন। সেই অভয়বার্তা পাওয়ার পরই থানায় দুজনে অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশের তরফ থেকে দুজনকে তদন্ত করে এফআইআর রুজু করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।



By













