দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: “নানা প্রকল্প করা হচ্ছে বিভিন্ন ধর্মস্থানে” রাজ্য বাজেট নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরলেন ভাঙরের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। কী বললেন তিনি? তাঁর বক্তব্য, বাজেটে মুসলিমদের টাইট দেওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে, কিন্তু শুধু মুসলিম নয়, বঞ্চনা করা হল অন্য সংখ্যালঘুদেরও। এখানেই শেষ নয়, মহার্ঘ ভাতা নিয়েও নিজের মত জানান নওশাদ। তাঁর বক্তব্য, মহার্ঘ ভাতা বাড়ানোর কথা বলা হলেও দিতে ব্যর্থ কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ ভাতা।
সোমবার, ২২ জুন, বিজেপি সরকার পেশ করেছে তাদের প্রথম বাজেট। রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত একাধিক বড় ঘোষণা করেছেন। রাজ্য সরকার কোন ক্ষেত্রে কত টাকা বরাদ্দ করেছে, সেই সবটা তিনি তুলে ধরেছেন। গেরুয়া শিবিরের তরফ থেকে এই বাজেটকে সর্বব্যাপী বাজেটের তকমা দেওয়া হলেও তা মনে করছে না বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। তাদের মতে, এই বাজেট জনস্বার্থ বিরোধী।
ভাঙরের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী বলেন, “আগের সরকার দুর্গা অঙ্গনের কথা বলার সময়ে তৎকালীন বিরোধী দল বিজেপি বলেছিল, ধর্মীয় কাজ করা যায় না জনতার টাকায়। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, বিনানা প্রকল্প করা হচ্ছে ভিন্ন ধর্মস্থানে। যে ‘নীল অর্থনীতি’র কথা বলা হয়েছে বাজেটে, তার প্রেক্ষিতে এবার কি দু’-এক জন শিল্পোদ্যোগী জলেরও দখল নেবেন?” তিনি আরও বলেন, “একাধিক চমক আছে বাজেটে। আর ব্যর্থতা ঢাকতে কমানো হয়েছে সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষায় বরাদ্দ ৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি। এর দ্বারা বার্তা ‘মুসলিমদের টাইট দেওয়া হল’। কিন্তু এর দ্বারা শুধু মুসলিম নয়, বঞ্চনা করা হল অন্য সংখ্যালঘুদেরও।”
সরকারি কর্মচারীদের জন্য মহার্ঘ ভাতা ঘিরে ঘোষণা সম্পর্কে আইএসএফ বিধায়কের বক্তব্য, “সরকার কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা বাড়ানোর কথা বলেছে। কিন্তু ব্যর্থ কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ ভাতা দিতে। পাশাপাশি, এই বাজেট সেইভাবে দিশা দিতে পারেনি সম কাজে সম বেতনের বিষয়ে, চুক্তিভিত্তিক সরকারি কর্মীদের।” এবার দেখার বিষয় যে বাজেটে যা ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার, তা পূরণ করার লক্ষ্যে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয় তাদের তরফ থেকে।



By










