নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে আন্তর্জাতিক রাজনীতির অন্যতম বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে ইরান ও ইসরাইল-আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধ। বিষয়টি নিয়ে এই মুহূর্তে জোর তোলপাড় চলছে গোটা বিশ্বে। এই আবহে ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রী গিডিয়ন সারকে ফোন করলেন চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই। কী কথা হয়েছে দুজনের মধ্যে? ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রীকে চিনের বিদেশমন্ত্রী শীঘ্র যুদ্ধ বন্ধ করার বার্তা দিয়েছেন।
দীর্ঘ চাপা উত্তেজনার পর গত শনিবার ইরানে যৌথভাবে হামলা চালানো হয় ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমেরিকা ও বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ইসরাইলের তরফ থেকে। এই হামলায় না ফেরার দেশে চলে যান ইরানের প্রাক্তন প্রয়াত সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেই। এই বিষয়টি জনসম্মুখে আসতেই রীতিমতো হইচই পড়ে যায় সেই দেশ সহ গোটা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে। বলা ভালো, এক চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে গোটা বিশ্বে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে। ইরানের তরফ থেকেও পাল্টা দেওয়া হচ্ছে, যা ঘিরে যুদ্ধের ময়দানের চেহারা নিয়েছে পশ্চিম এশিয়া বা মধ্যপ্রাচ্য।
এই পরিস্থিতিতে গোটা বিষয়টি নিয়ে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুদের কার্যত সমালোচনা করে চিন। শীঘ্র এই সংঘাত বন্ধ করার বার্তা দেওয়া হয় বেজিংয়ের তরফ থেকে। এবার ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রী গিডিয়ন সারকে ফোন করলেন চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই এবং ইজরায়েলকে দ্রুত যুদ্ধ বন্ধের বার্তা দেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে এই বিষয়টি নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে। চিন কি চাইছে বা এর আড়ালে বড় কোনও পরিকল্পনা লুকিয়ে রয়েছে কিনা, এই সংক্রান্ত বেশকিছু প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
প্রসঙ্গত, শীর্ষ নেতৃত্ব, পারমাণবিক স্থান ও ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলির ধ্বংস করার লক্ষ্যে গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথভাবে হামলা চালায় ইসরাইল ও আমেরিকা। ইসরাইলের তরফ থেকে এটিকে নাম দেওয়া হয়েছে অপারেশন রোরিং লায়ন এবং আমেরিকা নাম দিয়েছে অপারেশন এপিক ফিউরি। এই হামলার জেরে প্রাণ হারান দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি সহ আরো অনেকে।
তবে পাল্টা জবাব দেওয়া হয়েছে ইরানের তরফ থেকেও। তারাও ইসরাইল ও মিডিল ইস্টে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা করে। ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর তরফ থেকে এই ব্যাপারে অবস্থান জানানো হয়েছে। তবে এই যুদ্ধের ব্যাপক প্রভাব পড়েছে বিশ্ববাজারেও। এবার দেখার বিষয় যে আগামীদিনে আর কি হয়।



By













