নিউজ ডেস্ক: যেই দিনটির অপেক্ষায় ছিল গোটা বাংলাদেশ, তা সম্পন্ন হল শেষ পর্যন্ত। দেখতে দেখতে শেষ হয়ে গেল সাধারণ নির্বাচন। এখনো পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে পুরো ফল ঘোষণা হয়নি। তবে সরকার গঠন করার পথে তারেক রহমানের বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি (বিএনপি)। এই মুহূর্তে বড় ব্যবধানে এগিয়ে তারা এবং জয় কার্যত নিশ্চিত। অন্যদিকে জামাত শিবির তেমন দাগ কাটতে সফল হয়নি। সবমিলিয়ে, এই মুহূর্তে ফলাফল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা অব্যাহত মুজিবের দেশে।
তবে এবারের বাংলাদেশ সাধারণ নির্বাচনে মোট ৮০ জন সংখ্যালঘু প্রার্থী হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। অধিকাংশকেই প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করানো হয় বাম দলগুলির তরফ থেকে। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির তরফ থেকে ১৭ জন এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের তরফ থেকে ৬ জন সংখ্যালঘুকে টিকিট দেওয়া হয়েছিল। যদিও তাঁদের মধ্যে কেউ জয় নিজেদের নামে করতে পারেননি।
যদিও এই সবকিছুর মধ্যে নজরে ছিল যে বিএনপির দেওয়া হিন্দু প্রার্থীরা কেমন ফলাফল করবেন নির্বাচনে। মাগুরা-২ আসন থেকে দলের প্রার্থী নিতাই রায় চৌধুরী বড় ব্যবধানে জিতেছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৬ হাজার ৬৯৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী, তথা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে দাঁড়ানো জামাত নেতা, মুশতারশেদ বিল্লাহের ঝুলিতে যায় ১ লাখ ১৪ হাজার ৯৯৯ ভোট। অন্যদিকে, ঢাকা-৩ আসনে বিএনপির হয়ে দাঁড়িয়ে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ৯৮ হাজার ৭৮৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মহম্মদ শাহিনুর ইসলাম, যিনি প্রার্থী হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন জামাতে ইসলামির দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে, তিনি পান ৮২ হাজার ২৩২ ভোট।
তবে বাগেরহাটে বিএনপির টিকিটে দাঁড়ানো দুই হিন্দু প্রার্থী অবশ্য পরাজয়ের মুখ দেখেছেন। বাগেরহাট ১ আসন থেকে পরাজিত হয়েছেন কপিল কৃষ্ণ মণ্ডল। অন্যদিকে বাগেরহাট ৪ আসন থেকে হারের মুখ দেখতে হয়েছে সোমনাথ দেকে। কিন্তু দুজনেই বেশ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দিয়েছেন তাঁদের নিকটতম প্রার্থীকে। যদিও জামাতে ইসলামিও একজন হিন্দুকে প্রার্থী করে দাঁড় করিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি হেরে যান বিএনপির প্রার্থীর কাছে। এবার দেখার বিষয় যে শেষ পর্যন্ত ফলাফল কি হয়।



By














