নিউজ ডেস্ক: আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে না পাকিস্তান। বুধবার ক্যাবিনেট বৈঠকে পরিষ্কার করে দিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহাবাজ শরীফ। কী বক্তব্য তাঁর? তিনি দাবি করেন যে রাজনৈতিক কারণে বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়েছে বাংলাদেশ এবং খেলার ময়দানে তা মেনে নেওয়া যায় না। তাই পাকিস্তান বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট করবে।
বুধবার শাহাবাজ শরীফ বলেন, “পাকিস্তান ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে নামবে না ২০ ওভারের বিশ্বকাপে। কারণ আমরা পাশে রয়েছি বাংলাদেশের।” এরপরই পাক প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, “যে আচরণ বাংলাদেশের সঙ্গে করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক। কিন্তু ক্রীড়া দুনিয়ায় এভাবে করা যায় না রাজনীতি। এই কারণে আমাদের তরফ থেকে অনেক ভাবনাচিন্তা করে সচেতনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট করার। এটাই সঠিক সিদ্ধান্ত আমরা মনে করি।” এরপরই গোটা মন্ত্রিসভা টেবিল চাপড়ে সহমত পোষণ করে।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার পরই পাকিস্তানের তরফ থেকে লাগাতার হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বিশ্বকাপ বয়কটের। যদিও শেষ পর্যন্ত সেই পথে না হেঁটে তারা ১৫ তারিখে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে পিসিবি তা সরকারিভাবে ঘোষণা করেনি। অন্যদিকে, আইসিসির তরফ থেকেও বিবৃতি দেওয়া হয় এবং নিজেদের অবস্থান তুলে ধরা হয়।
তবে ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে না নামলে বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে পাক ক্রিকেট বোর্ডকে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে তাদের প্রাপ্য ৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (পাকিস্তানি মুদ্রায় ৯৮৪ কোটিরও বেশি) আটকে দেওয়া হতে পারে। শুধু তাই নয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের কাছ থেকে যদি সম্প্রচারকারী সংস্থা ক্ষতিপূরণ দাবি করে, তাহলে এই অর্থ পাক বোর্ডের প্রাপ্য টাকা থেকেই দেওয়া হতে পারে। সেক্ষেত্রে তাদের আর্থিক সমস্যা বৃদ্ধি পাবে। তবে এত সবকিছু সত্বেও নিজেদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেনি পাকিস্তান। এবার দেখার বিষয় যে আগে কি হয়।



By













