দেবজিৎ মুখার্জি: “ফের অপারেশন সিঁদুর হলে ভয়ঙ্কর হবে” পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি দিলেন সেনার ওয়েস্টার্ন কমান্ডের জেনারেল অফিসার কমান্ডার-ইন-চিফ, লেফটেন্যান্ট জেনারেল মনোজ কুমার কাটিয়ার। কী বক্তব্য তাঁর? তিনি জানালেন যে এরপরে সেনার তরফ থেকে কিভাবে জবাব দেওয়া হবে, তা তারা ঠিক করবে, তবে ভয়ঙ্কর হবে অপারেশন সিঁদুর ২.০। পাশাপাশি, এই দাবিও করেন যে পাকিস্তানের ক্ষমতা নেই ভারতের সঙ্গে লড়াই করার।
মনোজ কুমার কাটিয়ার বলেন, “আমরা পাকিস্তানের জঙ্গিঘাঁটিতে আক্রমণ করেছিলাম অপারেশন সিঁদুরে। প্রত্যাঘাত করেছিল ওরা। তার জবাবে আমরা উড়িয়ে দিয়েছি ওদের সামরিক ও বায়ুসেনা ঘাঁটি।” সংঘর্ষবিরতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “তারপর ওদের তরফ থেকেই সংঘর্ষবিরতি চাওয়া হয়েছিল। আমাদের কাছে সরাসরি নয়। অন্য দেশকে গিয়ে ওরা বলেছিল যাতে আমরা রাজি হই সংঘর্ষবিরতিতে।”
১৯৭১ সালের বা কার্গিল যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে মনোজ কুমার কাটিয়ার দাবি করেন যে পাকিস্তান শিক্ষা নেয়নি। তাঁর বক্তব্য, “আগামীদিনে যদি অপারেশন সিঁদুর হয়, তাহলে সেটা ভয়াবহ হবে। কিভাবে আমাদের তরফ থেকে জবাব দেওয়া হবে বা তার মাত্রা কতটা হবে, তা আমরা তখনই ঠিক করব। কিন্তু এটুকু আমরা জানি যে মারাত্মক হবে অপারেশন সিঁদুর ২.০।” ভারতের সঙ্গে লড়াইয়ের ক্ষমতা যে নেই পাকিস্তানের, সেই ব্যাপারে তিনি বলেন, “শুধু ছায়াযুদ্ধই ওরা চালাতে পারে। সরাসরি লড়াই করার ক্ষমতা নেই ওদের। একটা দুর্বল দেশ পাকিস্তান। অন্য দেশের কাছে যেতে হয় সংঘর্ষবিরতির জন্য, দিতে হয় পরমাণু হামলার হুমকি।”
প্রসঙ্গত, পহেলগাঁওয়ে ভারতীয় পর্যটকদের পাক সন্ত্রাসবাদীরা হত্যা করার পর শত্রুদেশকে জবাব দিতে অপারেশন সিঁদুর চালায় ভারত, যাতে গোটা পাকিস্তানে একেবারে গুঁড়িয়ে যায়। ধ্বংস হয় একাধিক বায়ুসেনা ঘাঁটিও। বহু পাক সেনা ও সন্ত্রাসবাদী প্রাণ হারান। তবে পাকিস্তানকে আরো চাপে ফেলার জন্য স্থগিত করা হয় সিন্ধু জল চুক্তি। অবশেষে তাদের কাতর অনুরোধে যুদ্ধবিরতি করা হয় ভারতের তরফ থেকে। তবে এখনো দুই দেশ মাঝেমধ্যেই একে অপরকে হুঁশিয়ারি দিয়ে চলেছে। সেক্ষেত্রে দেখার বিষয় যে আগামীদিনে পরিস্থিতি কোনদিকে যায়। কী হয়, সেটাই এখন দেখার।



By













