দেবজিৎ মুখার্জি: আবারো দলের যেই সুর, তার বিপরীত সুর শোনা গেল, সর্বভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অন্যতম প্রভাবশালী সাংসদ শশী থারুরের গলায়। বলা ভালো, ফের তিনি অস্বস্তি বাড়ালেন হাত শিবিরের। কী বললেন তিনি? এআই সম্মেলনকে দলের সাংসদ, তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা, রাহুল গান্ধী কটাক্ষ করলেও থারুর তার ভুয়সি প্রশংসা করেন। রাহুল সেটিকে ব্যর্থ বললেও থারুরের মতে তা সফল।
‘ডিজিটাল ভারতের’ এআই সম্মেলনে দেখা গিয়েছে একাধিক সমস্যা। ওয়াইফাই থেকে শুরু করে ডিজিটাল পেমেন্ট, কোনটাই কাজ করেনি। এখানেই শেষ নয়, এমনকি ইন্টারনেটেরও একই অবস্থা। তবে বিতর্ক অন্য মাত্রা নেয় যখন চিনের রোবটকে নিজেদের বলে দাবি করা হয়। সেই দেশের ওরিয়ন নামে সার্ভেইলেন্স রোবট ডগকে নয়ডার গালগোটিয়াস বিশ্ববিদ্যালয় তাদের বলে দাবি করে বসে। ব্যাপারটি এই পর্যায়ে যায় যে শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চাইতে বাধ্য হন কেন্দ্রীয় তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী। জবাবদিহি করতে হয় ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ইনফরমেশন মন্ত্রকের সচিবকে।
গোটা বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করে কংগ্রেস। দলের প্রভাবশালী সাংসদ, তথা সোনিয়াপুত্র, রাহুল গান্ধী একহাত নিয়েছিলেন গেরুয়া শিবিরকে। তিনি বলেছিলেন, “আসলে প্রচারের আলোয় আসার এক ব্যর্থ চেষ্টা এই এআই সম্মেলন। দেশের তথ্য বিক্রি করা হচ্ছে এই সম্মেলনে তথ্য ও প্রতিভা তুলে দেওয়ার পরিবর্তে। আর চিনের জিনিসকে নিজের বলে দাবি করা হচ্ছে।”
তবে রাহুল যা বললেন, তার উল্টোটা বললেন শশী থারুর। কী বক্তব্য তাঁর? কংগ্রেস সাংসদের মতে এমন সমস্যা হতেই পারে এবং বিষয়টি নিয়ে অহেতুক জলঘোলা করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, তিনি এটিকে সফল পর্যন্ত দাবি করেছেন। শশী থারুর বলেন, “সবদিক দিয়ে দেখতে গেলে এই এআই সম্মেলনে অতিথিদের যে তালিকা, তা বেশ আকর্ষণীয়। একাধিক দেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং বিশ্বনেতাদের একটি বিশাল অংশ এখানে এসেছিলেন এবং বড় বার্তা দিয়েছেন। সকলেই এআইয়ের যুক্তিযুক্ত বিকাশ চাইছেন।” এবার দেখার বিষয় যে আগামীদিনে এর জল কতদূর পর্যন্ত গড়ায়।



By













