নিউজ ডেস্ক: চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সুপার এইটে পরাজিত হওয়ার পর চিন্তার কালো মেঘ ঘিরে ধরেছে পাকিস্তানকে। সেমিফাইনালে যাওয়ার রাস্তা বেশ কঠিন হয়ে গিয়েছে তাদের জন্য। বিস্তারিতভাবে বলতে গেলে, ভারতের চেয়েও অঙ্ক এই মুহূর্তে জটিল হয়ে গিয়েছে তাদের জন্য। শ্রীলংকার বিরুদ্ধে বেঁচে থাকা ম্যাচটি জিতলেও তাদের নজর রাখতে হবে অন্য ম্যাচের ফলের উপর। যদিও দলের অধিনায়ক সালমান আলি আঘা আশা করছেন যে তাঁদের পক্ষেই ফল যাবে।
ম্যাচ হারার পর লাইভ টিভিতে ক্ষোভ উগরে দিলেন প্রাক্তন পাক তারকা পেসার শোয়েব আখতার। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে তিনি দাবি করেছিলেন, “ইংল্যান্ড যেন খারাপ খেলে, তাহলে দুই পয়েন্ট পাবো আমরা। আর টিম ইন্ডিয়া যদি বাদ পড়ে এবং আমরা যদি সেমিফাইনালে উঠি, তাহলে তার চেয়ে আনন্দের আর কিছু হতেই পারে না।” কিন্তু যেমনটা তিনি আশা করেছিলেন, তেমনট হয়নি। তাই ম্যাচ শেষে তিনি লাইভ টিভিতেই হতাশা প্রকাশ করেন এবং প্রশ্ন তোলেন সালমান আলি আঘার নেতৃত্ব নিয়ে, যাঁকে তিনি একটা সময়ে সমর্থন করেছিলেন অধিনায়ক হওয়ার পর।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার ম্যাচটি খেলা হয় শ্রীলংকার পালেকেলের পালেকেলে আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে। এদিন টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আলি আঘা। তবে শুরুটা তাদের খুব একটা ভালো হয়নি। চার ওভারের মধ্যে দুটি উইকেট হারায় তারা। পরে পরপর দুটি পার্টনারশিপ হলেও এরপর থেকে দ্রুত উইকেট পড়তে শুরু করে। অবশেষে নির্ধারিত ২০ ওভারে তারা করে ৯ উইকেটে ১৬৪। সর্বোচ্চ ৬৩ রানের ইনিংস আসে সাহেবজাদা ফারহানের ব্যাট থেকে। এছাড়া ব্যাট হাতে কেউ তেমন দাগ কাটতে সফল হননি। ইংল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নিজের ঝুলিতে তোলেন লিয়াম ডসন। এছাড়া দুটি করে উইকেট পান জোফরা আর্চার ও জ্যামি ওভার্টন এবং একটি আদিল রাশিদ।
জবাবে রান তাড়া করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে ইংল্যান্ড। ৮ ওভারের মধ্যেই ৪টি উইকেট হারায় তারা। এরপর অবশ্য পরপর দুটি পার্টনারশিপ গড়া হয়। শতরানের ইনিংস খেলে দলকে জয়ের দোরগোড়ায় নিয়ে যান অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। ৫১ বলে ১০০ রান করে তিনি আউট হন। এরপর আবার দ্রুত দুটি উইকেট পড়ে যায়। অবশেষে অন্তিম ওভারে প্রথম বলে চার মেরে আর্চার দলকে ফিনিশ লাইন পার করান। দুই উইকেটে ম্যাচ নিজেদের নামে করে ইংল্যান্ড। পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে চারটি উইকেট তোলেন শাহীন আফ্রিদি, দুটি মহাম্মদ নাওয়াজ এবং দুটি উসমান তারিক। ম্যাচের সেরা ঘোষণা করা হয় হ্যারি ব্রুককে।



By














