• Home
  • দেশ
  • তারেক রহমানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হবে মোদিকে, থাকবেন তিনি?

তারেক রহমানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হবে মোদিকে, থাকবেন তিনি?

Image

নিউজ ডেস্ক: হবু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হবে ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি (বিএনপি) সূত্র মারফত এমনটাই জানা গিয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠে যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সেখানে উপস্থিত থাকবেন?

প্রসঙ্গত, সাড়ে তিন দশক পর গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে হয় জাতীয় সাংসদ নির্বাচন। ২৯৯ আসনে ভোট হয়। শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে ২৯৭টি আসনের ফল ঘোষণা করা হয় সেই দেশের নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে। তারা জানিয়েছে যে চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ সিটের ফলাফল পরে জানানো হবে। সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন বিএনপি জোটের ঝুলিতে গিয়েছে ২১২টি আসন, জামাত পেয়েছে ৭৭টি, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ পেয়েছে ১টি এবং বাকি ৭টি গেছে স্বতন্ত্র প্রার্থীর দখলে।

শুক্রবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তরফ থেকে অভিনন্দন জানানো হয় তারেক রহমানকে। নিজের এক্স হ্যান্ডেল থেকে লেখেন, “আমার তরফ থেকে তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন। আপনার জয় থেকে স্পষ্ট যে বাংলাদেশের নাগরিকরা আপনার নেতৃত্বের উপর আস্থা রাখছেন। ভারত রয়েছে বাংলাদেশের গণতন্ত্র, উন্নয়নশীলতার পক্ষে। আশা করি ভারতের সঙ্গে আরও সম্পর্ক এগিয়ে যাবে আপনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের।” পরে ফোন করেও অভিনন্দন জানান তিনি।

যদিও বিএনপির তরফ থেকেও ধন্যবাদ জানানো হয় মোদিকে। দলের অন্যতম শীর্ষ নেতা নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, “বিএনপি সরকারের আমলে দুই দেশের মানুষের মধ্যে সম্পর্ক আরো ভালো হবে।” এরপরই ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়ে নজরুল ইসলাম খান বলেন, “ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানাতে চাই আমাদের নেতা তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানানোর জন্য। সমস্ত গণতন্ত্রই নাগরিকদের জনমতকে মেনে নেবে এবং সেটাই করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।”

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছাড়ার পর সেই দেশের হাল ধরেছিলেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ মহাম্মদ ইউনুস। তবে তারপর থেকে গোটা বাংলাদেশজুড়ে শুরু হয় ভয়াবহ অশান্তি। আওয়ামি লিগের নেতা-কর্মী থেকে শুরু করে হিন্দু নির্যাতন ও হত্যা, সবটাই দেখা যায়। বলা ভালো, মৌলবাদীদের উগ্রতা একেবারে চরম পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল। একাধিকবার ভারতকে হুঁশিয়ারি পর্যন্ত দেওয়া হয় শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে না ফেরত পাঠানোর জন্য। তবে অবশেষে সেখানে নির্বাচন হয় এবং বড় ব্যবধানে জয় পেয়ে ক্ষমতায় আসে বিএনপি। এবার দেখার বিষয় যে তাদের আমলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top