• Home
  • দেশ
  • খামেনেইয়ের মৃত্যুতে চুপ মোদি সরকার, কাশ্মীরের কথা মনে করালেন সোনিয়া

খামেনেইয়ের মৃত্যুতে চুপ মোদি সরকার, কাশ্মীরের কথা মনে করালেন সোনিয়া

Image

দেবজিৎ মুখার্জি: আমেরিকা ও ইসরাইলের ইরানে যৌথ হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। বিষয়টি নিয়ে এই মুহূর্তে উত্তপ্ত আন্তর্জাতিক রাজনীতি। তবে এই ব্যাপারে এখনো পর্যন্ত মুখ খোলেননি ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং সেটিকে ঢাল বানিয়ে গেরুয়া শিবিরকে আক্রমণ করলেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। কেন্দ্রকে তিনি মনে করিয়ে দেন কাশ্মীরের কথা। 

কংগ্রেস নেত্রীর বক্তব্য, “১৯৯৪ সালে কাশ্মীর নিয়ে রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবাধিকার কমিশনে ভারত-বিরোধী প্রস্তাব তুলে ধরেছিল অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কোওপারেশন (ওআইসি)। কিন্তু তখন বন্ধু ইরান এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং তা আটকে দেয়। তখন প্রাইমারি স্টেজ চলছিল দেশের অর্থনৈতিক সংস্কারের। যদি আন্তর্জাতিক চাপ তৈরি হতো, তাহলে আরো জটিল হয়ে উঠতে পারত ভারতের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থান।” সোনিয়া গান্ধী দাবি করেন যে এই পরিস্থিতিতে বর্তমানে ভারতের অবস্থান ও চুপ থাকা যথেষ্ট চিন্তাজনক।

মোদি সরকারকে আক্রমণ করে সোনিয়া গান্ধী আরো বলেন, “বর্তমান সরকারের এটা মনে রাখা উচিত যে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শ্রী অটল বিহারী বাজপাই ২০০১ সালের এপ্রিলে তেহরান সফরের সময় ভারত-ইরানের মধ্যে গভীর সম্পর্কে কথা নতুন করে তুলে ধরেছিলেন। মনে হচ্ছে সেই স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয় বর্তমান সরকারের নজরে। খামেনেইয়ের মৃত্যুতে মোদি সরকারের চুপ থাকা নিরপেক্ষতার বার্তা দিচ্ছে না। বরং তারা নিজেদের দায়িত্ব থেকে সরে আসছে। এটি বিশাল প্রশ্ন তোলে আমাদের দেশের ফরেন পলিসির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে।”

প্রসঙ্গত, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই নিজের অবস্থান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, “আমাদের দেশের অবস্থান পরিষ্কার বর্তমান বিশ্বের একাধিক উত্তেজনার বিষয়ে। আমাদের তরফ থেকে সর্বদা আহ্বান জানানো হয়েছে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার।” তাঁর সংযোজন, “যখন জোটবদ্ধ হয় দুটি গণতন্ত্র, তখন আরো শক্তিশালী হয় শান্তির শক্তি।” তিনি জানান যে ভারত সমস্ত বিরোধিতার সমাধানকে সমর্থন জানায় আলোচনা ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার দ্বারা।

এছাড়া আটকে পড়া ভারতীয়দের নিয়েও চিন্তা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, “আমরা একাধিক দেশের সঙ্গে আলোচনা করছি এই অঞ্চলের সমস্ত ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যাপারে। দিল্লির তরফ থেকে জোর দেওয়া হচ্ছে অস্থিরতা প্রশমন এবং ক্ষতিগ্রস্ত জায়গাগুলির উপর।” শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে আটকে পড়া ভারতীয়দের দেশে ফেরানোর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top