হাফিজুর রহমান, কলকাতা: মান্নাদার জুহুর ছোট্টো বাংলো আনন্দমে বসে আড্ডা দিচ্ছিলাম। মহদ্মদ রফিকে নিয়ে কথা হচ্ছিল, মান্নাদার মতে রফির আরও সন্মান পাওয়া উচিত ছিল । কথা বলতে গিয়ে স্পষ্টবাদী মান্নাদা জানালেন দুই গায়িকার কথা যারা গায়িকা হিসেবে বড় হলেও মানুষ হিসাবে ছোট। কথায় কথায় উঠে এলো দুই বোন কিভাবে উঠতি গয়িকাদের রাস্তা বন্ধ করতেন তার গল্প, আরতি মুখার্জিকে সিঁদুর খাইয়ে কেরিয়ার নষ্টের গল্প , রুনা লায়লা ও বানি জয়রমকে আটকানোর জন্য মিউজিক ডিরেক্টরদের বয়কট করার জন্য হুমকি দেওয়া ইত্যাদি..
মানুষ চলে গেলে লোকে ভালো ভালো কথা বলে কিন্তু দুঃখের বিষয় আশা সম্পর্কে লিখতে গিয়ে ওর গায়কি ছাড়া অন্য ভালো কিছু খুঁজে পাচ্ছিনা। আশার ক্যারিয়ার গড়ার স্থপতি ওপি নায়ার একটি গানও লতাকে দিয়ে গাওয়াননি, আশা অজস্র হিট গান গেয়েছেন ওপির নির্দেশনায় কিন্তু সত্তরের দশকে খারাপ সমযয়ে ওপি কে কে ছেড়ে ছয় বছরের ছোট রাহুল দেববর্মণ কে বিয়ে করেন। এসেই রাহুলের মা মিরা দেব বর্মণ কে ঘর থেকে বের করে বৃদ্ধাবাসে পাঠান। রাহুলের সঙ্গে ও ওপি র মত একই ঘটনা ঘটে ,রাহুলের খারাপ সময়ে পাশে পাননি আশাকে , তখন তিনি আরডি কে ছেড়ে অন্য জায়গায় থাকেন। রাহুলের বাইপাস হওয়ার সময় তিনি দুবাই রেস্টুরেন্ট খোলার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। রাহুল চলে যাওয়ার পর অবশ্য স্ত্রীর অধিকার ফলাতে এসেছিলেন , কিন্তু ব্যাংকের লকার পাঁচ টাকার একটি নোট ছাড়া তার কপালে কিছু জোটেনি।
এখানেই শেষ নয় শীতের রাতে পুরনো দিনের নায়িকা সাধনাকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে মাঝ রাতে জিনিষ পত্র ফুটপাথে ফেল দেন, যদিও সাধনা অনেক ফিল্মি গানে কণ্ঠদিয়েছেন তিনি। সালমান খান এগিয়ে এসে উচ্ছেদ রোখেন এই প্রায় অন্ধ নয়িকার জিনিষ পত্র তুলে তাঁকে আবার ঘরে ঢুকিয়ে দেন ইন্ডাস্ট্রির bad boy সালমান। বছরখানেক আগে তিনি নিজেকে রফি র থেকে বড় গায়িকা প্রমাণ করতে গিয়ে বিপাকে পড়েছিলেন। আশার মতে রফি ইমপ্রোভাইজ্যেশন করতেন না।
একটি ঘটনা বলেম লেখাটির ইতি টানব, আশ্মীর কি কলি ফিলমে সুরকার ওপি নায়ার সু4 লাগাতে পারছিলেননা ইয় চাঁদ সে রোশন চেহরা গানটিতে সুর ঠিক হচ্ছিলনা , এই সময় রফি তারিফ শব্দটি নানাভাবে উচ্চারন করেন তার পর ইতিহাস, এরপরও কি বলা যায় রফি ইম্প্রভাইযেশন করতে পারেননা! কি ক্যাপশান দেওয়া যেত এই লেখার ? আশার ছলনে কি ভুলি ছাড়া অন্য ক্যাপশন দেয়া যেত কি এই লেখাটির.,?



By













