নিউজ ডেস্ক: “আমি টস জিতলে পরিস্থিতি অন্যরকম হতে পারত” চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গিয়ে পোস্ট-ম্যাচ প্রেজেন্টেশনে এমনটাই জানালেন পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আলি আঘা। কী বক্তব্য তাঁর? তিনি দাবি করেন যে শ্রীলঙ্কাকে ১৪৮ রানে সীমাবদ্ধ করা চ্যালেঞ্জিং হতো, তবে তিনি যদি টসে জিততেন তাহলে পরিস্থিতি অন্যরকম হতে পারতো।
সালমান বলেন, “আমি মনে করি যখন আমি টস হেরে গেছিলাম, তখন শিশিরের কারণে এটা সর্বদাই চ্যালেঞ্জিং হতো এবং তারপর এটা খুব ভালো পিচ এবং ওদের ১৪৮ রানে সীমাবদ্ধ করা চ্যালেঞ্জিং হতো।” তাঁর সংযোজন, “তবে আমরা চেষ্টা করেছি, কিন্তু পারিনি ওদের ১৪৮ রানে সীমাবদ্ধ করতে। তবে আমার মনে হয় যে যদি আমি টসে জিততাম, তাহলে অন্যরকম হতে পারতো পরিস্থিতি।”
প্রসঙ্গত, শনিবার ম্যাচটি খেলা হয় শ্রীলংকার পালকেলের পালেকেলে আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে। টসে জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন শ্রীলংকার অধিনায়ক দাসুন শানাকা। এক দুর্দান্ত ওপেনিং পার্টনারশিপ গড়ে পাকিস্তান। ব্যাট হাতে রীতিমতো বিধ্বংসী ব্যাটিং তুলে ধরা হয় দলের দুই ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও ফাখার জামানের ব্যাট থেকে। ১৬তম ওভারে পার্টনারশিপ ভাঙতে সফল হয় শ্রীলংকা। ১৭৬ রানের পার্টনারশিপ হয় দুজনের মধ্যে। যদিও এরপর লাগাতার উইকেট পড়তে থাকে তাদের এবং নির্ধারিত ২০ ওভারে পাকিস্তান শেষ করে ৮ উইকেটে ২১২ রানে। সাহিবজাদা ফারহান করেন ১০০ এবং ফাখার জামান ৮৪। শ্রীলংকার বোলারদের মধ্যে তিনটি উইকেট পান মধুশঙ্কা, দুটি শানাকা এবং একটি চামিরা।
জবাবে রান তাড়া করতে নেমে শ্রীলংকার শুরুটা ভালো না হলেও মাঝে একাধিক পার্টনারশিপ গড়ে তারা, যার ফলে নির্ধারিত ২০ ওভারে তারা শেষ করে ৬ উইকেটে ২০৭ রানে। সর্বোচ্চ ৭৬ রানের ইনিংস আসে দলের অধিনায়ক দাসুন শানাকার ব্যাট থেকে। এছাড়া পবন রথনায়েকে করেন ৫৮। বাকিরা ব্যাট হাতে তেমন দাগ কাটতে সফল হননি। পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে তিনটি উইকেট পান আব্রার আহমেদ। এছাড়া একটি করে উইকেট নিজের ঝুলিতে তোলেন শাহীন আফ্রিদি, নাসিম শাহ ও মহাম্মদ নাওয়াজ। শতরানের ইনিংসের জন্য ম্যাচের সেরা ঘোষণা করা হয় সাহিবজাদা ফারহানকে।



By














