দেবজিৎ মুখার্জি: পশ্চিম এশিয়ায় চলতি সংঘাত বিপাকে ফেলেছে গোটা বিশ্বকে, যেই কারণে যুদ্ধ থামাতে মরিয়া একাধিক দেশ। সমস্যা দেখা গিয়েছে জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় বহু দেশকে সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে তেল আমদানির ক্ষেত্রে। ব্যতিক্রম হয়নি ভারতের ক্ষেত্রেও। তারাও বেশ চাপে পড়েছে এমনটা হওয়ার জেরে।
তবে এই শোচনীয় পরিস্থিতিতেও ভারত সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের দিকে। তাদের ১ লক্ষ ৮০ হাজার টন ডিজেল দেওয়া হবে। ঢাকার তরফ থেকে আগামী চার মাসে বাড়তি ৫০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল চাওয়া হয়েছিল। সেই দেশের অর্থমন্ত্রীর তরফ থেকে বাংলাদেশের ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় বর্মার কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছিল। এরপরই তাতে সাড়া দিয়ে চাহিদা অনুযায়ী ৫০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পাঠানো হচ্ছে। অসমের নুমালিগড় তেল সংশোধনাগার থেকে তা পাঠানো হচ্ছে এবং তা যাবে পাইপলাইনের দ্বারা।
বলে রাখা প্রয়োজন, বাংলাদেশের চুক্তি ছিল ১ লক্ষ ৮০ হাজার মেট্রিক টন আমদানির অসমের এই সংশোধনাগার থেকে চলতি বছরের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত। কিন্তু ইউনুস সরকারের আমলে দুই দেশের সম্পর্কে অবনতি দেখা যায় এবং চুক্তিতে ইতি টানা হয়। কিন্তু নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে সবটা স্বাভাবিক হচ্ছে আস্তে আস্তে। তারেক সরকারের দিকে এমন সংকটপূর্ণ সময়ে সাহায্যের হাত বাড়াল ভারত।
বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে যে মধ্যপ্রাচ্যের চলতি যুদ্ধের বিশ্রী প্রভাব পড়েছে সেই দেশে। পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য বাইকে দুই এবং পারসোনাল গাড়িতে ১০ লিটার করে তেল দেওয়ার নিয়ম চালু করা হয়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মজুত রাখার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলি বন্ধ রাখা হয়েছে এবং ঈদের ছুটির ঘোষণা করা হয়েছে আগাম। ভয়াবহ রূপ নিয়েছে গ্যাসের কালোবাজারি। রান্নার গ্যাস বিক্রি করা হচ্ছে দু তিন গুণ বেশি দামে। এমনকি বিশাল লাইন দেখা গিয়েছে তেলের পাম্পগুলিতে।



By













