নিউজ ডেস্ক: অবশেষে যেটা ভাবা হয়েছিল সেটাই হল। সমস্ত নাটক হল শেষ। চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টিম ইন্ডিয়া বিরুদ্ধে খেলতে নামবে পাকিস্তান। অর্থাৎ ১৫ তারিখ শ্রীলংকার মাটিতে দুই দল একে অপরের মুখোমুখি হবে। সেক্ষেত্রে এত বয়কট নাটকের পর যে এই ম্যাচকে ঘিরে যে এক আলাদা মাত্রার উন্মাদনা থাকবে, তা না বললেও বোঝা যায়।
বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ায় চলতি মাসের প্রথম দিনই পাক সরকারের তরফ থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল যে তাদের দল ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে না। কিন্তু যেমনটা পরিকল্পনা করা হয়েছিল, সেভাবে বিষয়টি এগোয়নি। বরং দিন যত যাচ্ছিল, ততই চাপে পড়ছিল পাকিস্তান। তার উপর শ্রীলংকা ক্রিকেট বোর্ডের চিঠি দেওয়া পাকিস্তানকে। সুতরাং আর্থিক ক্ষতি ও শাস্তি, সবটা মিলিয়েই চাপে ছিল পাকিস্তান। কিন্তু পাল্টি খাওয়া চাপের ছিল।
এর মাঝে পিসিবি কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন আইসিসির প্রতিনিধিরা, যেখানে উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের প্রধান মহসিন নাকভি এবং বাংলাদেশ বোর্ডের প্রেসিডেন্ট আমিনুল ইসলাম বুলবুল। সেখানে নাকভির তরফ থেকে একাধিক দাবি তোলা হয়, যার মধ্যে অন্যতম করমর্দন ও দ্বিপাক্ষিক সিরিজ। তবে সবটাই কাউন্সিলের তরফ থেকে খারিজ করে দেওয়া হয়। এরপর বিসিবি প্রধান বুলবুল পাক ক্রিকেট বোর্ডকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তাদের বয়কট তুলে নিতে বলেন।
অন্যদিকে, এদিন আবার পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের সঙ্গে বৈঠক করেন নাকভি। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের তরফ থেকে দাবি করা হয় যে আইসিসি পিসিবির দাবিগুলি পূরণ করতে রাজি হয়েছে এবং সেই কারণেই তারা ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে রাজি হয়েছে। তবে খবর, আইসিসি তাদের কোন দাবি মানছে না। যদিও পিসিবি প্রধান আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে “অনুরোধ রাখতে হয় অতিথিদের যদি তাঁরা ঘরে আসেন”। অর্থাৎ বিশ্বকাপে তারা ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে রাজি আইসিসির অনুরোধে। যদিও বাস্তব সত্যটা তা নয়। চাপে পড়ার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পিসিবি। এবার দেখার বিষয় যে ১৫ তারিখ টিম ইন্ডিয়া পাকিস্তানকে কতটা চাপে ফেলে।



By














