দেবজিৎ মুখার্জি: মধ্যপ্রাচ্যে জারি সংঘাত। অন্যদিকে অবরুদ্ধ গুরুত্বপূর্ণ হরমুজও। এই পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংক্রান্ত জটিলতার অবসান ঘটাতে উঠেপড়ে লেগেছে নয়াদিল্লি। সেই লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার দিল্লি সফরে এলেন ইরানের প্রেট্রলিয়াম মন্ত্রী মোহসেন পাকনেজাদ। গতকাল তিনি বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীর সঙ্গে এবং দুজনের মধ্যে আলোচনা হয় হাইড্রোকার্বন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর উপায় নিয়ে।
একাদশতম ব্রিকস সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে ভারতের তরফ থেকে। তাতে যোগ দিতে দিল্লি এসেছেন ইরানের প্রেট্রলিয়াম মন্ত্রী। ব্রিকসের জ্বালানি মন্ত্রীদের বৈঠকে তিনি বক্তব্য রাখেন। সেখানে তিনি ইরানের অবস্থান তুলে ধরেন গ্লোবাল এনার্জি সেক্টরের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে। রাজধানীতে পৌঁছানোর পর প্রথম প্রতিক্রিয়ায় তিনি দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করার পাশাপাশি আগ্রহ দেখান উভয়পক্ষে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার ব্যাপারে।
মোহসেন পাকনেজাদ বলেন, “আপনারা জানেন যে ইরান ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘকাল, এমনকী শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ঐতিহাসিক সম্পর্ক বিদ্যমান। বর্তমানে আমি এখানে যোগ দিতে এসেছি ব্রিকস সদস্য দেশগুলোর জ্বালানি মন্ত্রীদের সম্মেলনে। দেখা যাক কী আলোচনা হয় এই সম্মেলন এবং বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে। যে কোনও ধরনের সম্পর্ক আমরা গড়ে তুলতে তৈরি ভারতের সঙ্গে, তথা ভারতের মাটিতে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে।” এবার দেখার বিষয় যে শেষ পর্যন্ত সমস্যার সমাধান হয় কিনা। কী হতে চলেছে আগামীদিনে বা এরপর কী হয়, এই সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন যে এখন ঘোরাফেরা করছে দুই দেশের রাজনৈতিক মহলে, তা না বললেও স্পষ্ট।



By













