• Home
  • বিদেশ
  • “খামেনেইর পর যিনি সুপ্রিম লিডার হবেন, শেষ করে দেওয়া হবে” হুমকি ইসরাইলের

“খামেনেইর পর যিনি সুপ্রিম লিডার হবেন, শেষ করে দেওয়া হবে” হুমকি ইসরাইলের

Image

নিউজ ডেস্ক: ইরান-ইসরাইল যুদ্ধকে কেন্দ্র করে এই মুহূর্তে উত্তপ্ত আন্তর্জাতিক রাজনীতি। প্রতিনিয়তই চাপ বাড়ছে গোটা বিশ্বের দুই দেশের সংঘাতকে ঘিরে। এই আবহে বড় হুমকি দিয়ে বসা হলো ইসরাইলের তরফ থেকে। কী সেই হুমকি? সেই দেশের নতুন সুপ্রিম লিডারকে নিয়ে নানা কথা শোনা যাচ্ছে এই মুহূর্তে। শোনা যাচ্ছে, খামেনেইপুত্র মোজতাবা সেই দায়িত্ব পেতে চলেছেন। যদিও অনুষ্ঠানিকভাবে কিছু ঘোষণা করা হয়নি। তার মাঝেই ইসরাইলের তরফ থেকে দাবি করা হলো যে যিনি সেই পদে বসবেন, তাঁকে হত্যা করা হবে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাট্‌জ সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে লিখেছেন, “যাঁকেই শীর্ষ পদে বসানো হবে ইরানের জঙ্গিবাদী জমানা নেতা হিসেবে, তাঁকেই আমরা শেষ করব।”

দীর্ঘ চাপা উত্তেজনার পর গত শনিবার ইরানে যৌথভাবে হামলা চালানো হয় ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমেরিকা ও বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ইসরাইলের তরফ থেকে। এই হামলায় না ফেরার দেশে চলে যান ইরানের প্রাক্তন প্রয়াত সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেই। এই বিষয়টি জনসম্মুখে আসতেই রীতিমতো হইচই পড়ে যায় সেই দেশ সহ গোটা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে। বলা ভালো, এক চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে গোটা বিশ্বে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে। ইরানের তরফ থেকেও পাল্টা দেওয়া হচ্ছে। এর জেরে মধ্যপ্রাচ্য রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে।

এরপরই ইরানে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে যে এবার সুপ্রিম লিডারের মতো বড় দায়িত্ব যাবে কার কাঁধে। যদিও এক্ষেত্রে সবার উপরে নাম উঠে আসছিল খামেনেইপুত্র মোজতাবারই। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজশকিয়া একটি তিন সদস্যের কাউন্সিল তৈরি করেছিলেন, যাঁদের হাতে ছিল দেশের অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব। অন্তর্বর্তীকালীন সুপ্রিম লিডারের দায়িত্ব ছিল আলিরেজা আরাফির কাঁধে। অবশেষে মোজতাবাকে বেছে নেওয়া হয়। ইরানের সংবাদমাধ্যম সূত্রের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে যে বর্তমানে তিনি দায়িত্ব সামলাচ্ছেন ‘ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড’এর। এছাড়া শীর্ষ পদে রয়েছেন শিয়া মুসলিম সংগঠনেরও।

এই আবহে বড়সড় হুমকি দিয়ে বসলো ইসরাইল। সেই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে যিনি শীর্ষ নেতা হবেন, তিনিই বিপদের কারণ হয়ে উঠবেন আমেরিকা ও ইসরাইলের জন্য এবং সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচারও চলবে এবং তা মাথায় রেখেই শীর্ষ ধর্মীয় নেতাকে শেষ করে দেওয়া হবে তাদের তরফ থেকে। কাট্‌জ বলেন, “ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে তৈরি থাকতে বলেছি প্রধানমন্ত্রী ও আমি। তাই দরকারই সব কাজকর্ম করতে বলা হয়েছে সেই লক্ষ্যে। মার্কিন সঙ্গীদের সাহায্যে আমরা পুরোদমে অভিযান চালাবো এবং শেষ করবো ওই জমানাকে।” এবার দেখার বিষয় যে শেষ পর্যন্ত এক্ষেত্রে কি হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top