নিউজ ডেস্ক: “অবদান রাখতে পেরে আমি খুশি” অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯কে পরাজিত করে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এমনটাই দাবি করলেন ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের তারকা অ্যারন জর্জ। তিনি জানান যে এই সুযোগ পাওয়ার জন্য তিনি কৃতজ্ঞ। পাশাপাশি, তিনি এটাও দাবি করেন যে নিজের ব্যাটিংয়ের উপর বিশ্বাস রেখেছিলেন এবং ফাইনালের অপেক্ষা করছেন।
বুধবার হারারেতে আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯কে পরাজিত করে চলতি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে গেল ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দল। এদিন বড় ব্যবধানে জয় পায় তারা। ৭ উইকেটে ম্যাচ নিজেদের নামে করে। ব্যাট হাতে এদিন টপ অর্ডার রীতিমতো দুর্দান্ত খেলা দেখায়। বৈভব, অ্যারন ও আয়ুষ, তিনজনের ব্যাট থেকেই রান আসে। বিস্তারিতভাবে বলতে গেলে, আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯এর দেওয়া বড় টার্গেট সহজে চেজ করে নেয় তারা।
তবে এদিন সবচেয়ে বেশি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে অ্যারন জর্জের ব্যাটিং। ব্যাট হাতে তিনি হাকিয়েছেন শতরান। ১০৪ বলে ১১৫ রানের একটি দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি, যার মধ্যে ছিল ১৫টি চার এবং ২টি ছয়। তাঁকেই ম্যাচের সেরা ঘোষণা করা হয় এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি নিজের ইনিংস ও দলের পারফরম্যান্স সম্পর্কে সবটা তুলে ধরেন।
অ্যারন বলেন, “আমার মনে হয় এটা করার সুযোগ পেয়ে আমি খুবই কৃতজ্ঞ এবং দলের জন্যও জরুরি ম্যাচ, তাই অবদান রাখতে পেরে খুশি। আমি জানতাম যে আমি ভালো ব্যাটিং করেছি গোটা সময় ধরে, তাই আপনি যেমন বলছিলেন, কনভার্শনটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমার ব্যাটিংয়ের উপর বিশ্বাস রেখেছি। দলের সকলেই আমার মনে হয় নিজেদের ফুল পোটেনশিয়াল দিয়ে খেলেছে এবং আমাদের টপ অর্ডার ভালো খেলছে দেখে আমি খুশি। বড় ফাইনালের জন্য অপেক্ষা করছি।”
প্রসঙ্গত, এদিন প্রথমে ব্যাট করে আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ নির্ধারিত পঞ্চাশ ওভারে করে চার উইকেটে ৩১০। ফায়সাল শিনোজাদা করেন ১১০ এবং উজায়রউল্লাহ নিয়াজাই করেন ১০১। জবাবে রান তাড়া করতে নেমে ৪২ ওভার শেষ হওয়ার আগেই তিন উইকেট হারিয়ে প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দল। সর্বোচ্চ ১১৫ রানের ইনিংস খেলেন অ্যারন জর্জ, বৈভব সূর্যবংশী করেন ৬৮ এবং আয়ুষ মাত্রে করেন ৬২।



By













