দেবজিৎ মুখার্জি: ফের অশান্তির চিত্র মনিপুর থেকে। কুকি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠল সেনা জওয়ান সহ অন্তত ১৮ জন সাধারণ মানুষকে পনবন্দি করার। ঘটনাকে ঘিরে বুধবার নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়ালো উরখুল এলাকায়। কদিন আগেই সেখানে কয়েকটি বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল, যে কারণে রবিবার উরখুল জেলায় পাঁচ দিনের জন্য ইন্টারনেট সাসপেন্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়। তার মাঝেই এমন ভয়ংকর ঘটনা ঘটলো বুধবার।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে ঘটনাটি ঘটেছে লিতান থানার উখরুল–ইম্ফল সড়কে। ঘটনা প্রসঙ্গে জানা গিয়েছে যে তিনটি গাড়ি করে ফিরছিলেন নাগা উপজাতির মহিলা, বয়স্ক, শিশু মিলিয়ে ১৮ জন। গাড়িগুলি থামানো হয় সাংকাই এলাকার থাওয়াই কুকি গ্রামে। সেখান থেকেই ঘটনাটি কুকিরা ঘটান বলে অভিযোগ। পনবন্দিদের মধ্যে রয়েছেন এক ভারতীয় সেনা জওয়ানও। আরও জানা গিয়েছে যে তাঁরা এক বিয়ের অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন এবং তাঁদের মোবাইলও নাকি কেড়ে নেওয়া হয়েছে।
নাগাদের সংগঠন রাজ্য সরকারের উপযুক্ত পদক্ষেপের দাবি তুলেছে। তাংখুল নাগা লং সংগঠনের বক্তব্য, এটি পরিকল্পিত হামলা তাঁদের লক্ষ্য করে। ঘটনায় চিন্তা প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী ইয়নাম খেমচাঁদ সিং আবেদন করেছেন সকলকে নিরাপদ ও নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়ার। পাশাপাশি, পুলিশকেও ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন যে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ব্যবস্থা নেওয়া হবে অপরাধীদের বিরুদ্ধে।
সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে কদিন আগেই হিংসার ঘটনা ঘটেছিল লিতান থানা এলাকায়। নাগাদের বিরুদ্ধে কুকি বাসিন্দাদের হেনস্তার অভিযোগ উঠেছিল। এক ব্যক্তিকে গুলি পর্যন্ত করা হয় বলে অভিযোগ। এই অভিযান ঘটে পোস্ত চাষের অভিযানের পরেই। নাগা বাসিন্দাদের অভিযোগ, কুকিরা বেআইনিভাবে পোস্ত চাষ করছে। আরো জানা গিয়েছে সূত্র মারফত যে কুকি সংগঠন কমিটি অন ট্রাইবাল ইউনিটির বক্তব্য, এই পদক্ষেপ করা হয়েছে প্রতিশোধ হিসেবে।



By












