দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই বঙ্গ রাজনীতিতে দেখা যাচ্ছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর পর্ব। ভোটকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে তুমুল হইচই পড়েছে। রাজপথে নেমে প্রচার করতে শুরু করেছেন প্রার্থীরা। পাশাপাশি, সোশ্যাল মিডিয়াতেও প্রচারের গতি বাড়ানো হয়েছে সকল দলের তরফ থেকে। এক কথায় বলতে গেলে, ব্যাপারটা ঠিক ‘বেঙ্গল টার্নিং ইন্টু ব্যাটেলফিল্ড’এর মতো।
এই আবহে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ প্রকাশ করার পরই একের পর এক বড় পদক্ষেপ নিয়ে চলেছে কমিশন। সরিয়ে দেওয়া হয়েছে মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিবকে। পাশাপাশি, বেশ কয়েকটি রদবদল দেখা গিয়েছে পুলিশ প্রশাসনেও। বুধবারও একই চিত্র দেখা গিয়েছে। যদিও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফ থেকে আজকের আগেই সুর চরানো হয়েছে এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও পাঠানো হয়েছে।
কিন্তু তাও গুরুত্ব দেয়নি কমিশন। অন্য রাজ্যের ভোটে পর্যবেক্ষক হিসাবে পশ্চিমবঙ্গের আরও দুই সচিবকে পাঠানো হচ্ছে। তাঁরা প্রিয়ঙ্কা শিঙ্গলা, যিনি অসামরিক প্রতিরক্ষা দপ্তর এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের বিশেষ সচিবের দায়িত্বে ছিলেন এবং পি মোহনগান্ধী, যিনি শিল্প, বাণিজ্য এবং উদ্যোগ বিভাগের সচিবের পাশাপাশি একাধিক দপ্তরের দায়িত্বে ছিলেন।
যদিও মঙ্গলবারও কমিশনের তরফ থেকে পূর্ত দপ্তরের সচিব অন্তরা আচার্য এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ দপ্তরের প্রধান সচিব পারভেজ আহমেদ সিদ্দিকিকেও অন্য রাজ্যে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পর্যবেক্ষক হিসেবে। তবে তাঁদের তরফ থেকে কমিশনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে এই দায়িত্ব থেকে ছাড় দেওয়ার দাবি তুলে। তাঁদের বক্তব্য, গোটা বছর ধরে চলে সেই দুই গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের কাজ এবং এমন পরিস্থিতিতে কাজে প্রভাব পড়তে পারে সচিবদের সরিয়ে দেওয়া হলে।



By










