দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: এই মুহূর্তে রাজ্য রাজনীতির অন্যতম বড় আলোচনার বিষয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্রিগেডে সভা। বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা ভিড় জমাতে শুরু করে দিয়েছেন। সকলেই আশায় রয়েছেন যে আজ বড় কিছু ঘোষণা করতে পারেন তিনি। শুধু তাই নয়, একাধিক চমক থাকতে পারে বলেও মনে করছেন তাঁরা। এক কথায়, সভাকে ঘিরে আগ্রহ তুঙ্গে পৌঁছে গিয়েছে গেরুয়া শিবিরের কর্মী-সমর্থকদের।
তবে নামোর সভার আগে অ্যাকশন মোডে নামলো তৃণমূল কংগ্রেস। নিজেদের এক্স হ্যান্ডেল থেকে ঘাসফুল শিবিরের প্রশ্নবাণ। পাঁচটি প্রশ্ন ছোড়া হল ঘাসফুল শিবিরের তরফ থেকে। এসআইআর থেকে শুরু করে মনরেগা ও বকেয়া টাকা, একাধিক বিষয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে দলের তরফ থেকে। শুধু তাই নয়, পোস্টে এও দাবি করা হয়েছে যে প্রধানমন্ত্রীর সাহস নেই এই প্রশ্নগুলির জবাব দেওয়ার।
এক্স হ্যান্ডেলে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রশ্ন, “৬৩ লক্ষের নাম মুছে ফেলার পর, ৬০ লক্ষের নাম বিবেচনাধনের অধীনে আনার পর এবং প্রায় ২০০ জন নিরপরাধের মৃত্যুর পর, ঠিক কতগুলি বাংলাদেশী ও রোহিঙ্গা সনাক্ত করা হয়েছে? কেন বিশ্বগুরু হওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর দরিদ্র পরিবারগুলি খাদ্যের অভাবে ভুগছে অনিয়ন্ত্রিত এলপিজি দাম বাড়া ও এক খতরনাক সরবরাহ সংকটের কারণে? কোনও কৌশলগত মজুদ কেন তৈরি করা হয়নি গোটা বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা সত্ত্বেও?”
বাংলার প্রাপ্য বকেয়া টাকায় প্রসঙ্গ তুলে ঘাসফুল শিবিরের প্রশ্ন, “কেন বাংলার ন্যায্য ১ লক্ষ ৯৬ হাজার কোটি টাকা ইচ্ছাকৃত আটকে রেখেছে কেন্দ্র? এবং কেন মনরেগা পুনরায় চালু করতে ব্যর্থ হয়েছে সরকার সুপ্রিম কোর্টের পরিষ্কার নির্দেশ সত্ত্বেও?” বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের হেনস্তা প্রসঙ্গে ঘাসফুল শিবিরের প্রশ্ন, “কেন বিজেপি শাসিত রাজ্য গুলিতে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের বাংলায় কথা বলার জন্য হেনস্থা এবং হত্যা করা হচ্ছে?” দলের সংযোজন, “কেন প্রধানমন্ত্রী ও বিজেপির অন্যান্য নেতারা লাগাতার বাংলার সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক আইকনদের অপমান করেছেন, যাঁদের আমরা সম্মান করি।”



By










