দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: “জেগে উঠছে সনাতনীরা” সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনটাই দাবি করলেন বিজেপি নেতা, তথা জনপ্রিয় অভিনেতা, মিঠুন চক্রবর্তী। কী বক্তব্য তাঁর? আসন্ন বিধানসভা ভোটে আগের চেয়ে অনেক বেশি ভালো ফলের আশা রয়েছে বলে দাবি করেছেন মিঠুন চক্রবর্তী। শুধু তাই নয়, গেরুয়া শিবিরের কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যেও বার্তা দেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, ভোটের আগে কোন ঝামেলা হোক দলের তরফ থেকে, তা তিনি চান না।
বর্তমানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস শাসিত পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন যাত্রা করছে বাংলার গেরুয়া ব্রিগেড। মিঠুনও সেই কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন একাধিক জায়গায়। বাংলায় আগের চেয়ে বিজেপির পরিস্থিতি ভালো। সকলে একসাথে কাজ করছেন। ভোটের আগে থেকে অনেক বেশি ভালো ফলের আশা আছে। এমনটাই জানালেন মহাগুরু। এছাড়াও তিনি সাংবাদিকদের সামনে আরও বক্তব্য তুলে ধরেছেন।
মিঠুন চক্রবর্তীর বক্তব্য, “সনাতনীরা জেগে উঠছেন।” দলীয় কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বিজেপি নেতা বলেন, “ভোটের আগে দলের তরফ থেকে কোন অশান্তি হোক, তা আমি চাইছি না।” পাশাপাশি, এদিন মিঠুন চক্রবর্তী শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে ঝামেলা পাকানোর চেষ্টার অভিযোগ তোলেন। এছাড়া তিনি এটাও পরিষ্কার করে দেন যে বিজেপি বাংলা ভাগে বিশ্বাসী নয়, বড় পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশ হওয়া থেকে রুখতে চায়। তাঁর বক্তব্য, “লড়াই করব বাংলা ভাগ না করার জন্য। খেলবে দুই দলই।” রাজ্যের সরকারি কর্মীদের ডিএ না দেওয়ার বিষয়টিও তোলেন। মিঠুন বলেন, “রাজ্য সরকার বহু ভাতা দিচ্ছে। কিন্তু সরকারি কর্মীদের প্রাপ্য ডিএ তাঁদের দিচ্ছেন না।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বিজেপির পরিবর্তন যাত্রাকে কটাক্ষ করে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফ থেকে বলা হয়েছে, “এই প্রথম ফেব্রুয়ারিতে রথ দেখছি।” তিনি আরও বলেছেন, “দেব-দেবীদের রথযাত্রা দেখেছি। এই প্রথম রথযাত্রা দেখছি চোর চোর চিটিংবাজদের।” এরপরই রাজ্যবাসীদের উদ্দেশ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা, “৭০ আসন পেয়েই রথ করছে। একবার ভেবে দেখুন আরো ৭০ পেলে কি করত? রথ আপনাদের এলাকা দিয়ে গেলে মাছ, মাংস খাওয়াবেন। অতিথি দেব ভব। মাছ খেতে বারণ করে ওদের নেতারা। কিন্তু আমরা আপ্যায়ন করব অতিথিদের। দাঁড়িয়ে থাকবেন হাতে নিয়ে।”



By










