দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: “আমাদের দল, আমাদের প্রতীক মমতা দি” বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে কালীঘাট তৃণমূলের সভা থেকে স্পষ্টবার্তা বেলেঘাটার বিধায়ক কুনাল ঘোষের। কী বললেন তিনি? তাঁর বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই সব এবং বাকি কারোর কোনও জায়গা নেই। এখানেই শেষ নয়, তিনি মঞ্চ ভাঙার প্রসঙ্গ তুলে দাবি করেন যে এভাবে দমিয়ে রাখা যাবে না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এছাড়া একহাত নেন ঋতব্রত শিবিরকেও।
এবারের ২১শে জুলাই শহীদ দিবস সভাকে ঘিরে তৈরি হয় নানা বিতর্ক। একদিকে পরাজিত হওয়ার পর দুই ভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছে গোটা তৃণমূল – কালীঘাট তৃণমূল এবং ঋতব্রত তৃণমূল। দুই শিবিরই পৃথক জায়গায় সভা করছে। মমতাপন্থীরা করবেন বিড়লা প্লানেটরিয়ামের সামনে। অন্যদিকে ঋতপন্থীরা করবেন গান্ধী মূর্তির পাদদেশে।
যদিও সভার অনুমতি পেতে গিয়ে নানা বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। অবশেষে আদালতের তরফ থেকে এই কর্মসূচির অনুমতি মেলে বিড়লা প্লানেটরিয়ামের সামনে। যদিও সভার আগের রাতে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে মঞ্চ ভাঙার অভিযোগ তোলেন কালীঘাটপন্থীরা। সারারাত পাহারা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ দলের একাধিক নেতা-নেত্রী।
মঙ্গলবার সভা থেকে কর্মীদের উদ্দেশ্যে বার্তা দেন বেলেঘাটার বিধায়ক, তথা দলের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা, কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সারারাত পাহারা দিয়েছেন রাস্তায় বসে। আমাদের নেত্রী একজনই। আমাদের দল, আমাদের প্রতীক মমতা দি। বাকি কারও কোনও জায়গা নেই।” মঞ্চ ভাঙচুর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এভাবে দমিয়ে রাখা যাবে না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।” ঋতব্রত শিবিরকে একহাত নিয়ে তিনি বলেন, “তৃণমূলের প্রতীকে যারা জিতে ওখানে (ঋত-শিবিরে) গিয়েছেন, এখনও তাঁরা এলাকায় যেতে পারেননি। পাশে দাঁড়াতে পারেননি কর্মীদের।”



By











