দেবজিৎ মুখার্জি: বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টির (বিএনপি) আমন্ত্রণে সাড়া দেওয়া হল নয়াদিল্লির তরফ থেকে। দলের চেয়ারম্যান তারিক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন কেন্দ্রের প্রতিনিধিরা। যদিও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উপস্থিত থাকতে পারবেন না বলে আগে থেকেই জানা গিয়েছিল। তবে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে ঢাকায় যাচ্ছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা ও বিদেশসচিব বিক্রম মিসরি।
মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশের সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় হবে তারিক রহমানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। তবে তিনি একা নন, শপথ নেবেন অন্যান্য জয়ী সাংসদরাও। অনুষ্ঠানে বিএনপির তরফ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয় ভারত সহ ১৩টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সুত্র মারফত জানা গিয়েছে যে সেদিন উপস্থিত থাকতে পারবেন না প্রধানমন্ত্রী পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচির কারণে। সেদিন তাঁর বৈঠকে বসার কথা ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে।
রবিবার সকাল পর্যন্ত শোনা যাচ্ছিল যে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর বা উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণণ ঢাকায় যাবেন। কিন্তু বিকেলে জানা যায় যে তারিক রহমানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য কেন্দ্রের তরফ থেকে ঠিক করা হয়েছে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা ও বিদেশসচিব বিক্রম মিসরির নাম।
প্রসঙ্গত, সাড়ে তিন দশক পর গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে হয় জাতীয় সাংসদ নির্বাচন। ২৯৯ আসনে ভোট হয়। এরপর শুক্রবার ২৯৭টি আসনের ফল ঘোষণা করা হয়, যার মধ্যে বিএনপি ও জোটের ঝুলিতে গিয়েছে ২১২টি আসন, জামাত পেয়েছে ৭৭টি, ৬টি এনসিপি এবং দুটি পেয়েছে অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র। সবমিলিয়ে, বড় মার্জিনে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি। যদিও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তরফ থেকে শুক্রবার সকালেই তারিক রহমানকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছিল। পরে অবশ্য ফোনেও কথা হয় দুজনের মধ্যে। এবার দেখার বিষয় যে বিএনপির আমলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক কতটা মধুর হয়। আগামীদিনে দুই দেশের সম্পর্ক কোনদিকে যাবে, এই প্রশ্নই এখন ঘোরাফেরা করছে জাতীয় রাজনীতিতে।



By













