• Home
  • জেলার খবর
  • কংগ্রেসের একা লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে অবস্থান জানালেন সেলিম-নওশাদ! কী বক্তব্য দুজনের?

কংগ্রেসের একা লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে অবস্থান জানালেন সেলিম-নওশাদ! কী বক্তব্য দুজনের?

Image

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: ভোটের আগে বাম-কংগ্রেস জোট করবে কিনা, এই প্রশ্ন বেশ কয়েকদিন ধরে ঘোরাফেরা করছিল রাজ্য রাজনীতিতে। তবে বৃহস্পতিবার সেই প্রশ্নের উত্তর মেলে। হাত শিবিরের তরফ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তারা কোনও দলের সঙ্গে জোটে না গিয়ে একাই লড়াই করবে। তা নিয়ে নিজেদের মতামত জানান সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহাম্মদ সেলিম ও ভাঙ্গড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব না দিলেও তাঁরা যে তা ভালো চোখে দেখেনি, তা তাঁদের বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট।

বৃহস্পতিবার রাজধানী দিল্লিতে বৈঠক হয় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের এবং তারপরই একলা চলো পথের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এদিনের বৈঠকে ছিলেন দলের সাংসদ, তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা, রাহুল গান্ধী, সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি শুভঙ্কর সরকার এবং সাধারণ সম্পাদক, তথা প্রদেশ কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক, গুলাম আহমেদ মীর। 

বৈঠকের পরই মীরের তরফ থেকে ঘোষণা করে দেওয়া হয় যে এবার বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে একাই লড়াই করবে কংগ্রেস। তিনি বলেছেন, “আমাদের দলের কর্মী ও সমর্থকদের মনোবল নষ্ট হয়ে যায় সিপিএমের সাথে জোট করলে আর সেই কারণেই নেতৃত্বের তরফ থেকে একা লড়াই করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমাদের কর্মী-সমর্থকরা চান যে আমরা সমস্ত আসনে একাই লড়ি।”

এই নিয়ে নিজের অবস্থানে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহাম্মদ সেলিম বলেন, “তৃণমূল ও বিজেপিকে নিয়ে অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে। যদি বাংলাকে বাঁচাতে হয়, তাহলে সকলকে এক হতে হবে। তাদের অবস্থান কি হবে ঠিক করবে কংগ্রেস। সবার সঙ্গে আমরা কথা বলছি। যখন আমাদের বলা হয়েছে নিচের তলার কংগ্রেস কর্মীরা ঠিক করবে, আমরা বলেছি কথা বলব ওদের সঙ্গে, কোনও অহংকার নেই।” অন্যদিকে ভাঙ্গড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী বলেন, “জাতীয় কংগ্রেস এই জোটে আসুক, আমি এখনো তা আশা করব বিজেপি ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য। কিন্তু যদি না আসে, তাহলে তাদের কিভাবে গ্রহণ করবে রাজ্যবাসী, সেটা নির্ভর করছে আমাদের রাজ্যের মানুষের উপর।” 

প্রসঙ্গত, কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূল জোট করবে কিনা, সেই ব্যাপারে ইতিমধ্যেই অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সাফ কথা, “বাংলায় তৃণমূল একাই লড়াই করার ক্ষমতা রাখে এবং বাকিরা আমাদের বিরুদ্ধে লড়ে।” এবার দেখার বিষয় যে শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্তে পরিবর্তন হয় কিনা হাত শিবিরের। ঘাসফুল ও গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে রাজ্যের বাকি দলগুলি এক ছাদের তলায় আসে কিনা, সেটাই এখন একটা বড় প্রশ্ন।

Releated Posts

ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে সোজা কালীঘাটে অভিষেক

মঙ্গলবার ডিজে মন্তব্য মামলায় টানা সাড়ে ৬ ঘন্টা জেরার পর ভবানী ভবন থেকে বেরোলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক…

ByByHafizur Rahaman Jun 16, 2026

ভবানীপুরের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতে মমতা

ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মঙ্গলবার আদালতের দ্বারস্থ হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন দলের বিধায়ক…

ByByHafizur Rahaman Jun 16, 2026

এবার বেআইনিভাবে ৩০০ কোটি টাকার মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে

সোমবার রাতে তাঁর বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে ৩০০ কোটি টাকার মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ তুলে কালীতলা আশুলিয়া থানায় এফআইআর দায়ের…

ByByHafizur Rahaman Jun 16, 2026

কল্যাণের বিরুদ্ধে লোকসভার স্পিকারকে চিঠি কাকলির

তৃণমূলের বর্ষিয়ান সাংসদ, তথা বিশিষ্ট আইনজীবী, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মহিলা সাংসদদের উদ্দেশ্যে ‘আপত্তিকর’ ও ‘অসম্মানজনক’ মন্তব্য করার অভিযোগ…

ByByHafizur Rahaman Jun 16, 2026

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top