নিউজ ডেস্ক: হুঁশিয়ারিই সার, আদতে কাজে কিছু নয়! ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের খেলায় তেমনটাই ফুটে উঠলো। কলম্বোতে রীতিমতো বিশ্রীভাবে পরাজিত হয় তারা। বল হাতে দলের বোলাররা কিছু কাজ করে দেখালেও, ব্যাট হাতে উসমান খান ছাড়া কেউই তেমন লড়াই দেখাতে পারেননি। বলা ভালো, টিম ইন্ডিয়ার বোলিং বিভাগের সামনে একেবারে মাথানত করতে বাধ্য হয় পাকিস্তানের ব্যাটিং বিভাগ।
এই লজ্জাজনক পরাজয়ের পর দলের ক্রিকেটারদের ধমক দিয়েছেন পাক ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান মহসিন নাকভি। জানা গিয়েছে বোর্ডের এক কর্মকর্তাকে দিয়ে তিনি বার্তা পাঠান দলের ম্যানেজার নাভেদ আক্রাম চিমাকে এবং জানিয়েছেন যে এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পরাজয় মেনে নেওয়া যায় না। তিনি বলেছেন, “এমন বিশ্রী পারফরম্যান্স হল কেন এমন এক জরুরি ম্যাচে? মেনে নেওয়া যায় না এটা একেবারে।”
নাকভি পাক বোর্ডের প্রধানের পাশাপাশি সেই দেশের মন্ত্রীও। সেক্ষেত্রে তাঁর প্রতিটা পদক্ষেপে জড়িয়ে রয়েছে রাজনীতি। তাঁর পলিটিকাল ক্যারিয়ারে সুবিধা হবে যদি ভারত বিদ্বেষী রাজনীতির হাওয়া বয়ে গোটা পাকিস্তান জুড়ে। এর প্রভাব পড়েছিল এশিয়া কাপেও। চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে বয়কট নাটক করায় চাপে পড়েছেন দলের ক্রিকেটাররা। মাঠের অন্দরের পাশাপাশি মাঠের বাইরেও পলিটিক্যাল ভিকটিম হচ্ছেন তাঁরা। অনেকের মতে, পাকিস্তান ক্রিকেটের এই খারাপ অবস্থার জন্য দায়ী নাকভির ইগো। তাই বরদাস্ত না করতে পেরে মাঠ ছেড়েছিলেন।
উল্লেখ্য, রবিবার প্রথমে ব্যাট করে টিম ইন্ডিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে তোলে ৭ উইকেটে ১৭৫। সর্বোচ্চ ৭৭ রানের ইনিংস খেলেন ঈশান কিষান। এছাড়া অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব করেন ৩২। পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে ৩টি উইকেট পান সাইম আইয়ুব এবং একটি করে উইকেট পান শাহীন শাহ আফ্রিদি, সালমান আলি আঘা ও উসমান তারিক। জবাবে রান তাড়া করতে নেমে ১৮ ওভারে অলআউট হয়ে যায় পাকিস্তান। দলের কোনও ব্যাটারই অর্ধশতরান করেননি। ভারতের বোলারদের মধ্যে দুটি করে উইকেট নেন হার্দিক, বুমরাহ, অক্ষর ও বরুণ। এছাড়া একটি করে উইকেট পান কুলদীপ ও তিলক। ম্যাচের সেরা হন ঈশান কিষান।



By














