দেবজিৎ মুখার্জি, মালদা: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে কি দেখা যাবে দুজনকে এক হয়ে লড়াই করতে? দেখা যাবে কি বাম ও কংগ্রেসকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে। দীর্ঘদিন ধরেই এই বিষয়টি নিয়ে এক অস্থিরতা ও মতবিরোধ চলছিল দুই শিবিরের মধ্যে, তার উপর মালদা রথবাড়ি মোড়ের সভা থেকে যে মন্তব্য করা হলো, তাতে আদৌ আগামীদিনে ন্যূনতম সম্ভাবনাটা রয়েছে কিনা, সেই প্রশ্নও উঠছে।
কী বলা হয়েছে সভা থেকে? শনিবার সরাসরি হাত-শিবিরকে আক্রমণ করলেন সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক মহাম্মদ সেলিম। কী বললেন তিনি? তাঁর বক্তব্য, “এমনি এমনি বামফ্রন্ট যায়নি। ২০১১ সালে এই কংগ্রেস নিজের কাঁধ দিল। তার উপর ভর করে রাইটার্সে উঠলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনিও তারপর রাইটার্স ত্যাগ করলেন। বিজেপিকেও তৃণমূল ত্যাগ করল।” এরপরই সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি বলেন, “এখনো যদি শিক্ষা না হয় কংগ্রেসের, তাহলে কবে হবে আমার জানা নেই।”
তিনি আরো বলেন, “পুরনো তৃণমূলদেরও একই অবস্থা। যে কিষেনজি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চেয়েছিলেন, তাঁকেই পরে হত্যা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মালদা জেলা কংগ্রেসকে বলছি, বামেরা জানপ্রাণ দিয়ে খেটেছিল বলেই গত লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস এখানে একটি আসন পেয়েছে। এখন প্রদেশ কংগ্রেস ও দিল্লির কোনও নেতা চিন্তা করছেন যে কোনদিকে গেলে লাভ আছে।” এরপরই নীতি ঠিক করার পরামর্শ দিয়ে সেলিম বলেন, “বাংলাকে বাঁচাতে হলে লড়তে হবে বিজেপি ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে। কিন্তু ওরা নিজেদের সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। জেলা ভাবছে রাজ্য কি করবে, আবার রাজ্য ভাবছে দিল্লি কি করবে।” এবার দেখার বিষয় যে শেষ পর্যন্ত দুই দল একজোট হয়ে ভোটের ময়দানে নামে কিনা ঘাসফুল ও গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে।



By










