দেবজিৎ মুখার্জি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: সত্যি হলো আশঙ্কা! মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হুশিয়ারির ২৪ ঘন্টা পর বারুইপুরে অশান্তির ঘটনায় রবিবার রাতে গ্রেফতার হলেন সিপিএম নেতা লাহেক আলি। পুলিশ সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বারুইপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর এলাকায় বিক্ষোভের সময়ে রাস্তা অবরোধ, ভাঙচুর, পুলিশকর্মীদের উপরে হামলা এবং পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে। অভিযোগ, সেদিন আন্দোলনের সময়ে তিনি ঘটনাস্থলেই ছিলেন এবং তদন্তে মেলা তথ্যের ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
যদিও লাহেক আলির এই গ্রেফতারির নেপথ্যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে বলে মত সিপিএমের। দলের অন্যতম বর্ষিয়ান নেতা সুজন চক্রবর্তী এই প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী এই ঘটনায় তদন্তের আগেই মুখ্যমন্ত্রী কে দোষী, কে নির্দোষ তা ঘোষণা করে দিচ্ছেন, তাতে পরিষ্কার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য দেখা যাচ্ছে। পুরোপুরি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত লাহেকের গ্রেফতার। সর্বত্র প্রতিবাদ হবে এর বিরুদ্ধে।” অন্যদিকে রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেছেন, “ভিডিয়ো রয়েছে হিংসায় উস্কানি দেওয়ার। এখন আইনের শাসন চলছে রাজ্যে। উস্কানি দিলে গ্রেফতার তো হবেই।”
লাহেক আলির বিরুদ্ধে নানা ধারায় পুলিশের তরফ থেকে মামলা রুজু করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, আরোপ করা হয়েছে Prevention of Damage to Public Property (PDPP) Act, 1984, MPO Act, 1972 এবং ভারতীয় রেলওয়ে আইন, ১৯৮৯এর একাধিক ধারাও। সোমবার তাঁকে তোলা হবে আদালতে। প্রসঙ্গত, এর আগে ধৃত সিপিএম নেতা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন গ্রেফতারির আশঙ্কা থেকে। এবার প্রশ্ন উঠছে যে এই বিষয়ে গোটা রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদে নামবে কিনা বামেরা। কী হয় এবার, সেটাই এখন দেখার।



By










