দেবজিৎ মুখার্জি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ফের অশান্তির চিত্র আইএসএফ শাসিত ভাঙড় থেকে। এবারের ঘটনাস্থল ভোগালি ২ নম্বর পঞ্চায়েতের কাঁটাডাঙা এলাকা। আইএসএফের ফ্ল্যাগ লাগানোর সময়ে তাদের কর্মীদের মারধরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বন্দুকের বাঁট দিয়ে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, একাধিক বাড়ি লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ার অভিযোগ পর্যন্ত ওঠে। যদিও দুপক্ষেরই বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পাশাপাশি, পুলিশের তরফ থেকেও একজনকে আটক করা হয়েছে। তবে ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।
এক আক্রান্ত আইএসএফ কর্মীর বক্তব্য, “টিএমসিরা মেরেছে। এক জায়গায় ওই আমরা পতাকা বাঁধবো বলে তোরজোর করছিলাম। ওদের তো লোক নেই। বাইরে থেকে লোক নিয়ে এসে ওরা আমাদের উপর আক্রমণ করেছে।” তিনি আরো বলেন, “প্রায় ২০০-২৫০ জন লোক নিয়ে এসে আমাদের উপর আক্রমণ করা হয়। ওরা মেশিন, বোম, উইকেট, সব নিয়ে এসে আক্রমণ করেছিল আমাদের উপর।”
ভাঙড়ের আইএসএফ নেতা ও পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ওহিদুল ইসলাম অভিযোগের আঙ্গুল তুলেছেন তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লার দিকে। তাঁকেই ‘মূল মাস্টারমাইন্ড’এর তকমা দিয়েছেন ওহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, “যতদিন থেকে দায়িত্ব পেয়েছে ওই নটোরিয়াস ক্রিমিনাল, ততদিন থেকে ভাঙড় উত্তপ্ত করছে। ভাঙড় মানে শান্ত, অশান্ত না। এর আগে তো আরাবুল ইসলামরা, কাইজার আহমেদরা ছিল। কই হামলা করেছে কারোর বাড়িতে?” অশান্তির সময়ে উত্তর কাশিপুর থানার পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “এই দলদাস পুলিশ, এত চটিচাটা, সবার উদ্দেশ্যে নয়, তবে ভাঙড়ে এই অশান্তি কিছু পুলিশের জন্য। পুলিশের তরফ থেকে আটক করা হয়েছে তৃণমূল নেতা ও ভোগালি ২ নম্বর পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্যার স্বামী রাকেশ মোল্লাকে।



By










