• Home
  • জেলার খবর
  • আইপ্যাক মামলা: পিছিয়ে গেল শুনানি, হবে ১০ তারিখে

আইপ্যাক মামলা: পিছিয়ে গেল শুনানি, হবে ১০ তারিখে

Image

দেবজিৎ মুখার্জি: আইপ্যাক নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির তরফ থেকে যে মামলা করা হয়েছিল শীর্ষ আদালতে, তার শুনানি এবার পিছিয়ে গেল। মঙ্গলবার শুনানি ছিল বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র এবং বিচারপতি এনভি অঞ্জরিয়ার বেঞ্চে। যদিও ফের কবে শুনানি হবে, সেই ব্যাপারেও জানিয়ে দেওয়া হয়। চলতি মাসের ১০ তারিখে তা হবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। 

রাজ্যের তরফ থেকে হলফনামা জমা দেওয়া হয়। এদিন শুনানির শুরুতেই কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা রাজ্যের হলফনামা পুরোপুরি দেখার জন্য সময় চান। তিনি এও জানান যে ইডিও হলফনামা দিতে চায় এবং শুনানির দিন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করেন। এরপরই রাজ্যের মত চাওয়া হয় এবং তাদের তরফ থেকেও সম্মতি দেওয়া হয়। এরপরই পিছিয়ে দেওয়া হয় শুনানি।

ইডির মামলা খারিজের আবেদন করা হয় রাজ্যের তরফ থেকে শীর্ষ আদালতে হলফনামা জমা দিয়ে। তাদের বক্তব্য, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করার। শুধু তাই নয়, এই দাবিও করা হয় যে যেভাবে ইডি তল্লাশি চালিয়েছে, তা চালানো যেতে পারে না। তাদের প্রশ্ন, কেন আগাম নোটিশস দেওয়া হয়নি সংস্থাকে?

প্রসঙ্গত, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ইডির তরফ থেকে অভিযোগ আনা হয়েছিল সংবিধানের ৩২ নম্বর ধারায়। বেআইনি হস্তক্ষেপের অভিযোগ তোলা হয়েছিল। রাজ্যের তরফ থেকেও পাল্টা দেওয়া হয় তাদের হলফনামায়। তাদের বক্তব্য, ইডি যে অভিযান চালিয়েছে আইপ্যাকের অফিস ও তার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে, তা সংবিধানের ২১ নম্বর ধারার বিরুদ্ধে যায়।

উল্লেখ্য, গত ৮ জানুয়ারি কয়লা পাচার মামলার তদন্ত করতে আইপ্যাক ও তার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে হানা দেন ইডি আধিকারিকরা। খবর জানাজানি হতেই দুই জায়গাতেই ছুটে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বেশকিছু ফাইল ও নথি নিয়ে বেরিয়ে আসেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে, কেন্দ্রের নির্দেশে, গোপন নথি চুরির অভিযোগ তোলেন। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয় ইডির তরফ থেকে। একে অপরের দিকে অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের আঙুল তোলে ঘাসফুল ও গেরুয়া শিবির। পথে নেমেও এর প্রতিবাদ জানান তৃণমূল সুপ্রিমো ও দলের অন্যান্য নেতারা। মামলার জল গড়িয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট, দুই আদালত পর্যন্তই। এবার দেখার আগে কি হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top