দেবজিৎ মুখার্জি: এআই সম্মেলনে যুব কংগ্রেস কর্মীদের টি-শার্ট খুলে বিক্ষোভ ঘটনায় এবার নতুন মোড়! ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তিন অভিযুক্ত যুব কংগ্রেস কর্মীকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে হিমাচল পুলিশের বাধার মুখে পড়তে হয় শাহের পুলিশকে। শুধু তাই নয়, সিমলা পুলিশের তরফ থেকে দিল্লী পুলিশের ২০ জনকে আটক পর্যন্ত করা হয়েছে অপহরণের মামলা দায়ের করে। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সেই এলাকা সহ গোটা জাতীয় রাজনীতিতে।
বুধবার রোহরু থেকে সৌরভ, সিদ্ধার্থ এবং আরবাজ নামে তিন কংগ্রেস কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয় দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যাল সেলের তরফ থেকে। অভিযোগ, শোগি সীমান্তে শিমলা পুলিশ তাদের গাড়ি আটকায়। শিমলা পুলিশের বক্তব্য, দিল্লী পুলিশ সঠিক নিয়ম মানেনি। তারা আবেদন করেনি ট্রানজিট রিমান্ডের এবং সেই কারণেই এমনটা করা হয়েছে। যদিও শাহের পুলিশের বক্তব্য, এভাবে শিমলা পুলিশ তাদের তদন্তে বাধা দিচ্ছে এবং অভিযুক্তদের সাহায্য করছে।
প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার যখন এআই সম্মেলন চলছিল এবং সংস্থার প্রধানদের বক্তব্য চলাকালীন হইচই হয় কক্ষের বাইরে। তা শুনে উপস্থিত সকলে কক্ষ থেকে বেরিয়ে আসেন এবং দেখেন যে কিছু ব্যক্তি জামা খুলে হাতে নিয়ে স্লোগান দিচ্ছেন ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির বিরুদ্ধে। তাঁরা হাত শিবির, অর্থাৎ কংগ্রেসের কর্মী। ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়।
ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে ইন্দোরে কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপির যুব মোর্চা। দুই পক্ষের এই লড়াইয়ে সাংবাদিক থেকে শুরু করে পুলিশ আধিকারিক সহ আরো অনেকে আহত হয়েছেন। সেই ঘটনায় বেশ কয়েকটি এফআইআরও দায়ের করা হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও নিজের বক্তব্যে কংগ্রেসের তীব্র নিন্দা করেছেন। তবে শুধু বিজেপি নয়, অন্যান্য বিজেপি বিরোধী দলও কংগ্রেসকে সমর্থন জানায়নি এই কীর্তির জন্য। যদিও হাত শিবির নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড়। তাদের সাফ কথা, সাওয়াল করা বন্ধ হবে না। তদন্ত এখনো চলছে এবং বাড়ছে গ্রেপ্তারির সংখ্যা। যদিও তদন্তকারীদের মতে, নেপালের ‘জেন জি’ আন্দোলনের মতো করার চেষ্টা করেছিলেন ধৃতরা এবং এর পেছনে এক বড় ষড়যন্ত্র রয়েছে। এবার দেখার বিষয় আগামীদিনে কি হয়।



By














